
হিদার উইলসন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা (এয়ারফোর্স সেক্রেটারি) হিসেবে ট্রাম্প মনোনীত হিদার উইলসনকে অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন সিনেট। সোমবার (৮ মে) সিনেটে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে তার নিয়োগ চূড়ান্ত হয়।
এয়ারফোর্স সেক্রেটারি হলো মার্কিন বিমান বাহিনীর তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা সর্বোচ্চ বেসামরিক পদ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ও উপ-প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর কাছে রিপোর্ট করার দায়িত্ব পালন করেন এয়ারফোর্স সেক্রেটারি। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজও করেন। আর সিনেটের অনুমোদন নিয়ে এয়ারফোর্স সেক্রেটারির নিয়োগ দেন প্রেসিডেন্ট নিজে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, সোমবারের ভোটাভুটিতে প্রতিনিধি পরিষদের সাবেক রিপাবলিকান সদস্য হিদার উইলসনের পক্ষে ৭৬টি ভোট পড়ে। আর তার বিপক্ষে পড়ে ২২টি ভোট। বিপক্ষের ভোটাররা সবাই ডেমোক্র্যাট।
মার্চে নিজের মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়া সংক্রান্ত শুনানিতে ৫৬ বছর বয়সী হিদার উলসন লকহিড মার্টিনের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের সক্ষমতার প্রশংসা করেছিলেন। এ যুদ্ধবিমানকে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর-পেন্টাগনের সবচেয়ে ব্যয়বহুল অস্ত্র বলে বিবেচনা করা হয়। তাছাড়া বিমান বাহিনীর পাইলটের ঘাটতি পূরণ ও বাহিনীকে আধুনিকীকরণেরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন হিদার।
ইউএস এয়ারফোর্স একাডেমির গ্রাজুয়েট হিদার ২০১৩ সাল থেকে সাউথ ডাকোটা স্কুল অব মাইনস এন্ড টেকনোলজি এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োজিত আছেন। হিদার ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত নিউ মেক্সিকো থেকে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ছিলেন এবং প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ.ডব্লিউ বুশের অধীনে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।

