ঢাকাTuesday , 18 April 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সেনাবাহিনীর ফায়ারিং প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ সেনাপ্রধানের

Link Copied!

Army-firing-competitionআবুল হায়াত বাচ্চু, সাভার : সাভার সেনানিবাসে ক্ষুদ্রাস্ত্র ফায়ারিং রেঞ্জে সেনাবাহিনী ফায়ারিং প্রতিযোগিতা-২০১৭ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, এসবিপি, এনডিসি, পিএসসি।
প্রতি বছরের ন্যায় ৯ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এ প্রতিযোগিতা গত ১১ এপ্রিল হতে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত পরিচালিত হয়। ৯টি পদাতিক ডিভিশন, ৫টি স্বতন্ত্র ব্রিগেড এবং সদর দপ্তর লগ এরিয়াসহ এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৪টি ফরমেশন এতে অংশগ্রহণ করে। এ বছর সকল ফায়ারার বিডি-৮ রাইফেল দিয়ে ফায়ার করেন। প্রতিযোগিতা পরিচালিত হয় গ্রুপিং ফায়ারার, স্যূট টু হিট এবং ডব্লিউইটি-এর মাধ্যমে। প্রতিযোগিতায় ৯ পদাতিক ডিভিশন সাভার দল চ্যাম্পিয়ন এবং ৩৩ পদাতিক ডিভিশন কুমিল্লা দল রানার আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। প্রতিযোগিতায় ১৭ পদাতিক ডিভিশনের ল্যান্স কর্পোরাল নাজমুল হাসান শরীফ শ্রেষ্ঠ ফায়ারার এবং ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের সৈনিক মো. সেলিম রেজা ২য় শ্রেষ্ঠ ফায়ারার নির্বাচিত হন। এছাড়া আরো ৬ জন ফায়ারারকে শ্রেষ্ঠ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এরা হলেন-৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সার্জেন্ট মোহাম্মদ মুক্তল হোসেন, ৯ পদাতিক ডিভিশনের কর্পোরাল মিজানুর রহমান, ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের কর্পোরাল শাওন আহমেদ, ১৭ পদাতিক ডিভশনের সৈনিক গোলাম ছরোয়ার, ১৪ স্বতন্ত্র ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড সৈনিক আব্দুল মালেক ও ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের কর্পোরাল পংকজ বড়ুয়া।
পরে প্রধান অতিথি সেনাপ্রধান বিজয়ীদের মাঝে ট্রফি, মেডেল ও সনদ প্রদান করেন।
সেনাপ্রধান তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সেনাবাহিনীর তুলনায় অন্যতম ও সেরা বাহিনী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এ সময় তিনি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ফায়ারিংয়ের জন্য একজন সৈনিকের অবশ্যই ফিজিক্যাল ফিটনেস থাকতে হবে। ১ গুলি ১ শত্রু এ শ্লোগানকে সামনে রেখে যোগ্যতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার কারনেই হলি আর্টিজান অভিযানে কোন প্রকার ক্ষয়-ক্ষতি ছাড়াই সেনাবাহিনী সফল হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর সেনাবাহিনীর ফায়ারিং স্কোর অনেক ভাল উল্লেখ করে তিনি বলেন, অল্প সময়ে বেশি ফায়ারিং করতে পারলে যথাযথ যোগ্যতা অর্জন করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাসদর দপ্তর, সামরিক প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের পরিচালক এবং সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সাভার এলাকার সকল অফিসার, জেসিও, এনসিও এবং সৈনিক উপস্থিত ছিলেন।