ঢাকাWednesday , 5 April 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মাগুরায় ‘কৃমিনাশক’ আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা

Link Copied!

Maguraমাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সফল হচ্ছে না ‘কৃমিনাশক’ কর্মসূচি। অসুস্থ হয়ে পড়ার আতঙ্কে শিশুরা কৃমিনাশক খেতে চাচ্ছে না শিশুরা। এমনকি ভয়ে তারা স্কুলে আসা কমিয়ে দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষকেরা।
সরকারিভাবে জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে ১ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫ থেকে ১৬ বছরের সকল শিশুকে এক ডোজ কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানোর কর্মসূচী হাতে নেওয়া হয়েছে। তবে কর্মসূচী এখন স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য ভয়ের কারণ হয়ে উঠেছে।
অনেক ছাত্রছাত্রী ও তাদের অভিভাবকরা কৃমিনাশক খাওয়ার ব্যাপারে অনিহা প্রকাশ করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে জেলার অধিকাংশ স্কুলে এখনো খাওয়ানো হয়নি কৃমিনাশক ট্যাবলেট। মাগুরা শহরের দুধ মল্লিক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমিরুল ইসলাম জানান, গত চারদিনে তার স্কুলের হাজার ছাত্রীর মধ্যে একটি মেয়েকেও কৃমির ওষুধ খাওয়ানো যায়নি। আবার অনেক অভিভাবক এসে তাদের মেয়েদের এ ওষুধ না খাওয়াতে অনুরোধ করে গেছেন।
মাগুরা শহরের স্টেডিয়ামপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাজিপুর ইউনিয়নের হৃদয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আরো কয়েকটি বিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেখানেও কোন শিশুকে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়নি। তাদের বক্তব্য, গরমের কারণে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খেয়ে অনেক শিশুই অসুস্থ হচ্ছে। ফলে বৃষ্টি না হলে ওইসব স্কুলে কৃমির ওষুধ না খাওয়ানোর বিষয়ে স্থানীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।
শহরের ১নং, ৩নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ একাধিক বিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তাদের অনেক ছাত্রছাত্রীই কৃমি নাশক ওষুধ খেয়ে অসুস্থ হবে এমন ভয়ে স্কুলেই আসেনি। ৩ নং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সালেহ আহমেদ সিদ্দিক নোমান জানান, যদিও এ ওষুধটি খুবই উপকারি কিন্তু গুজবে কান দিয়ে কিছু অভিভাবক ভীতির কারণে শিশুদের ওষুধটি খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করছেন।
মাগুরার সিভিল সার্জন ডা. মো. সাদুল্লাহ জানান, Vermox নামের Mebendazol 500MG গ্রুপের ওষুধটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া খুবই উন্নত মানের একটি কৃমিনাশক। এটি খেয়ে কোন প্রকার সমস্যা হওয়ার সুযোগ নেই। লাখ লাখ শিশুর মধ্যে দুএকজন শিশুর পেটে অতিরিক্ত কৃমি থাকা বা সম্পূর্ণ খালি পেটে ওষুধ খাওয়ার কারণে সামান্য পেটেব্যাথা বা মাথা ঝিমঝিম করার মত সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এটি কোন বড় ঘটনা নয়।