ঢাকাSaturday , 5 November 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বগুড়ায় বালুদস্যুরা বেপরোয়া, হুমকিতে ফসলি জমি

Link Copied!

bogra_mapবগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বালুদস্যুরা। অবৈধভাবে বালু তোলায় প্রতিনিয়ত নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি। স্থানীয় প্রশাসন দেখেও কোনো গা করছে না বলে অভিযোগ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের।
এদিকে গাবতলী উপজেলায় বালুমহাল না থাকলেও বিভিন্ন নদনদী ও ফসলি জমি থেকে দিনরাত প্রকাশ্যে বালু তুলে চলেছে বালুদস্যুরা। ফলে আবাদি জমিতে গর্তের সৃষ্টি হয়ে তা বিলীন হচ্ছে নদীতে।
গাবতলী উপজেলার নেপালতলী ব্রিজের উত্তর পাশে বগুড়া-সারিয়াকান্দি পাকা সড়কের নিচে সুড়ঙ্গ করে পাইপ টেনে এলাকার আব্দুস সোবহান নামের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে বালু তুলছেন। নদী থেকে ব্রিজ ও পাকা সড়কের নিচ দিয়ে সুড়ঙ্গ করে বালুর পাইপ নেয়ার কারণে রাস্তাটি ভারী যানবাহনের জন্য ঝুঁকিপূর্র্ণ হয়ে পড়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে বালু উত্তোলনকারী সোবহানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি দাবি করেন, নদীর পাশে নিজের জমি থেকে প্রয়োজনে বালু তুলছেন তিনি। নদীর পার ধসে যাওয়া ও পাকা রাস্তা সুড়ঙ্গ করে পাইপ পার করায় কোনো ক্ষতি হচ্ছে না বলে মনে করেন তিনি।
একই ইউনিয়নের গাবতলী-সোনাতলা পাকা সড়ক ঘেঁষে পোড়াপাড়ায় এবং ডঙর বাজার যাওয়ার মাটির সড়কে দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলন করে আবাদি জমিতে পুকুরের মতো গর্তের সৃষ্টি করছে বালুদস্যুরা। এতে পাশের জমিও ভেঙে ওই গর্তে পড়ছে।
নাড়–য়ামালা ইউনিয়নের জয়ভোগা ও বাওইটোনা গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতি নদী থেকে শ্যালো মেশিন দিয়ে ড্রেজার তৈরি করে এলাকার আজিজুল ও বাবরসহ কতিপয় ব্যক্তি বালু উত্তোলন ও ব্যবসা করছেন। নদীর পাড়সহ ফসলি জমি ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।
বালিয়াদীঘি ইউনিয়নের দশ মাইল দড়িপাড়ায় ফসলি জমির মাঠের মধ্যে একাধিক বালুদস্যু দিনরাত বালু তুলছেন। সেখানেও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে।
বালুদস্যুদের কারণে অনেক কৃষকের আবাদি জমি ভেঙে পড়ায় তারা সেখানে চাষ করতে পারছেন না। এ ছাড়া একশ্রেণির মাটি ব্যবসায়ী জমির মালিকদের মোটা অঙ্কের টাকার লোভ দেখিয়ে ফসলি জমি থেকে ওপরের মাটি কেটে তা ভাটায় সরবরাহ করছে।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এভাবে দিনরাত বালু উত্তোলন করা হলেও প্রশাসন এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আবাদি-অনাবাদি জমি ক্ষতিগ্রস্ত ও নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে ফসলি জমি ভেঙে যাচ্ছে একর পর এক।
এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রামকৃষ্ণ বর্মণের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, গাবতলীতে কোনো বালুমহাল নেই। যারা অবৈধভাবে বালু তুলছে, তাদের বিরুদ্ধে শিগগিরই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।