ঢাকাSunday , 25 September 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দুই মাসে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয় ১১০৪ কোটি টাকা

Link Copied!

Juteঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানিতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে ১৪ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার বা প্রায় ১ হাজার ১০৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে কাঁচা পাট রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩ কোটি ৬৯ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার; পাটের সুতা ও কুণ্ডলী রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৭ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।
বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সেপ্টম্বর মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৯১ কোটি ৯৫ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৬ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার।
২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৬ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ১৪ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ দশমিক ০২ শতাংশ কম। তবে সদ্য সমাপ্ত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসের তুলনায় এ খাতের রপ্তানি আয় ৫ দশমিক ৫২ শতাংশ বেড়েছে। গত অর্থবছরের এ সময়ে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১৩ কোটি ৩৩ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার।
২০১৫-১৬ অর্থবছরে কাঁচা পাট রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১৭ কোটি ৩১ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার; পাটের সুতা ও কুণ্ডলী রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৫ কোটি ৮৭ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১২ কোটি ২৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।
চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কাঁচা পাট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার; পাটের সুতা ও কুণ্ডলী রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯ কোটি মার্কিন ডলার এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার।
ইপিবির হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে কাঁচা পাট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ কোটি ৫ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এই সময়ে কাঁচা পাট রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩ কোটি ৬৯ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২১ দশমিক ০১ শতাংশ বেশি এবং আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ৪১ শতাংশ বেশি। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের এ সময়ে কাঁচা পাট রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৩ কোটি ৪৪ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার।
২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে পাটের সুতো ও কুণ্ডলী রপ্তানিতে ৯ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও এ সময়ে আয় হয়েছে ৭ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২১ দশমিক ২৪ শতাংশ কম। তবে গত অর্থবছরের তুলনায় এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রার আয় ৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে পাটের সুতো ও কুণ্ডলী রপ্তানিতে ৭ কোটি ২৪ লাখ মার্কিন ডলার আয় হয়েছিল।
চলতি বছরের জুলাই ও আগস্টে মাসে পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ কম। তবে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই খাতের আয় ৮ দশমিক ০২ শতাংশ বেড়েছে। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরের একই সময়ে পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১ কোটি ৬০ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার।
ইপিবির প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে পাটের অন্যান্য দ্রব্য রপ্তানিতে ৮৪ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার আয় হয়েছে; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৬ দশমিক ২৯ শতাংশ কম। একইসঙ্গে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই খাতের রপ্তানি আয় ১৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ কমেছে।