নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে এবার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২৯ আগস্ট সোমবার থেকে।
রোববার দুপুরে রেল ভবনে ঈদ প্রস্তুতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী মুজিবুল হক এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ২৯ আগস্ট পাওয়া যাবে ৭ সেপ্টেম্বরের আগাম টিকিট। ধারাবাহিকভাবে ৩০ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কেনা যাবে ৭ থেকে ১১ সেপ্টেম্বরের আগাম টিকিট।
ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ৫ সেপ্টেম্বর থেকে, চলবে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ওই সময়ে ১৪ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বরের ফিরতি টিকিট পাওয়া যাবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হবে। একজন যাত্রীকে সর্বাধিক ৪টি টিকিট দেওয়া হবে এবং বিক্রিত টিকিট ফেরত নেওয়া হবে না।
রেলমন্ত্রী জানান, ঈদের পূর্বে ৩ দিন (৯-১১ সেপ্টেম্বর) এবং পরের ৭ দিন (১৪-২০ সেপ্টেম্বর চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে) ৫ জোড়া ও পবিত্র ঈদের দিন সোলাকিয়া স্পেশাল ২ জোড়া মোট ৭ জোড়া ট্রেন চলাচল করবে।
তিনি জানান, ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ঈদের পূর্বদিন পর্যন্ত আন্তঃনগর ট্রেনের অফডে থাকবে না। ঈদের পর থেকে যথারীতি আন্তঃনগর ট্রেনের অফডে বজায় থাকবে।
অতিরিক্ত কোচ সংযোজন সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়েতে দৈনিক এক হাজার ছয়টি যাত্রীবাহী কোচ থাকে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে ওয়ার্কশপ থেকে অতিরিক্ত ১৪০টি কোচ সপ আউট-টার্নসহ মোট এক হাজার ১৪৬টি যাত্রীবাহী কোচ সরবরাহ করা হবে। এ ছাড়া বর্তমানে ২০২টি ইঞ্জিন আছে। তা বাড়িয়ে ২২০টি করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, ঈদ উপলক্ষে রেলওয়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। তারা যাত্রীদের সেবায় সব সময় কাজে নিয়োজিত থাকবে।
মন্ত্রী বলেন, গত ঈদুল ফিতরে বাংলাদেশ রেলওয়ে আড়াই লাখ যাত্রী বহন করতে সক্ষম হয়েছিল। আর এবারের ঈদে কোনো ভোগান্তি ছাড়াই দুই লাখ ৬০ হাজার যাত্রী বহন করবে রেলওয়ে।
মন্ত্রী আরো বলেন, টিকিট কালোবাজারি রোধে ঢাকা, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী, খুলনাসহ সকল বড় বড় স্টেশনে জিআরপি, আরএনবি, স্থানীয় পুলিশ, র্যা ব ও বিজিবির সহযোগিতায় টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধে সর্বাক্ষণিক প্রহরার ব্যবস্থা করা হবে। তা ছাড়া জেলা প্রশাসকদের সহায়তায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।

