নিজস্ব প্রতিবেদক : পরিরবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেছেন, ‘দাতাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত অর্থের বেশিরভাগই তাদের খুশি রাখতে ব্যবহার করতে হয়।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সেমিনার কক্ষে শনিবার জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণে ঢাকা মহানগরীর ওপর তার প্রভাব সংক্রান্ত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি প্রশ্ন রাখেন ‘দাতাদের খুশি করতেই যদি বেশিরভাগ টাকা ব্যয় হয়, তাহলে আসল কাজ করবো কোন অর্থ দিয়ে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের আরবান স্টাডিজ দুই বছর মেয়াদী একটি গবেষণা কাজ পরিচালনা করছে। প্রথম বছর শেষে তারা এই কর্মশালার আয়োজন করে।
ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরো বক্তৃতা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরিন আহমেদ, নগর গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জ্ঞান রঞ্জন শীল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল প্রমুখ।
ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের আরবান স্টাডিজের গবেষণায় ঢাকা মহনগরের ঝুঁকিপ্রবণ হওয়ার চারটি কারণ তুলে ধরা হয়।
১. দেশের ১২ শতাংশ মানুষ ঢাকায় বসবাস করে, যা আয়তনে বাংলাদেশের মাত্র এক শতাংশ। জনসংখ্যার ঘনত্ব বিশ্বের যে কোনো শহরের তুলনায় বেশি।
২. জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয় নিয়ে স্থানীয় সরকারগুলোর দায়িত্ব ও কর্তব্যে স্বচ্ছ কোনো বিধান নেই।
৩. জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার জন্য সক্ষমতার ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগর অনেক পিছিয়ে আছে।
৪. ঢাকার বর্তমান অবকাঠামো পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় সক্ষম নয়।

