ঢাকাWednesday , 10 August 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রিওতে সমকামীদের ‘ভালোবাসার’ জয়

Link Copied!

somokamiস্পোর্টস ডেস্ক : চলছিল অলিম্পিক পদকের লড়াই। রাগবি সেভেনসের ফাইনালে লড়ছিল নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। শেষ হাসিটা হাসে অস্ট্রেলিয়া। দেওদোরো স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার শখানেক দর্শক। সোনা জয়ের পর তারা আনন্দে আত্মহারা। পদক প্রদান অনুষ্ঠান শেষে আনন্দে মেতে উঠল অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়রাও। স্টেডিয়ামে খানিকটা চিৎকার-চেঁচামেচি।
কিন্তু অস্ট্রেলীয়দের আনন্দ শেষে মেতে উঠল স্টেডিয়ামের একপাশ। মাঠে বসে ফাইনাল দেখছিল ব্রাজিলের রাগবি দল। সেখানেই ছিলেন দলের ২৫ বছর বয়সি খেলোয়াড় ইসাদোরা সিরুলো। হঠাৎ মাঠে প্রবেশ করেন দেওদোরো স্টেডিয়ামের ম্যানেজার মারজোরি এনিয়া। মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে সবার সামনেই তার পার্টনার সিরুলোকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘উইল ইউ ম্যারি মি।’
দুই বছর যার সঙ্গে মন আদান-প্রদান করছেন, তাকে না করেন কীভাবে?২৮ বছর বয়সি এনিয়ার প্রস্তাবে সম্মতি দেন সিরুলো। সমকামী ‍দুজন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন স্টেডিয়ামেই। ঠোঁটে ঠোঁট রেখে দুজন দুজনকে জড়িয়ে রাখলেন কিছুক্ষণ। পাশে থাকা ব্রাজিল দলের খেলোয়াড়রা উল্লাসে ফেটে পড়লেন, দুজনের জন্য গাইলেন রোমান্টিক গান। এনিয়ার কাছে সে সময় ছিল না কোনো আংটি। নিজের গলার রিবন সেরুলোর আঙুলে পেঁচিয়ে কোনোমতে সংক্ষিপ্ত আনুষ্ঠানিকতা সারেন এনিয়া।
বিবিসি স্পোর্টসকে এনিয়া বলেন, ‘আমি যখন জানতে পারি যে সেরুলো এখানে আছে, তখনই আমি তার জন্য বিশেষ কিছু করার সিদ্ধান্ত নিই। আমি জানতাম রাগবির খেলোয়াড়রা অসাধারণ। আমার প্রস্তাব ফেরাবে না- এটা বিশ্বাস হচ্ছিল। সবার সামনে ওকে প্রপোজ করতে একটু খারাপ লাগেনি। সে আমার জীবনের ভালোবাসা। অলিম্পিক গেমস আমাদের আরো কাছে টেনে এনেছে। এখান থেকে বিশেষ কাউকে নিয়ে আমি নতুন জীবন শুরু করছি। আমি সবাইকে দেখাতে চাই কীভাবে ভালোবাসা জিততে হয়।’
অলিম্পিকের ইতিহাসে এবারই প্রথম অলিম্পিক ভিলেজে এ রকম ঘটনা ঘটল। সত্যিই রিও অলিম্পিক ভিন্ন স্বাদ দিচ্ছে বিশ্বকে!