ঢাকাThursday , 28 July 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হাইমচরে ভাঙন, হুমকির মুখে হাজারো পরিবার

Link Copied!

floodচাঁদপুর প্রতিনিধি : স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ঈশানবালায় আবারো নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতোপূর্বে ওই এলাকায় ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়া হলেও কাজের ধীরগতির কারণে চলতি বর্ষায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। ফলে সেখানের অনেক পরিবার ঘর-জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে।
‘করলা দ্বীপ’ নামে খ্যাত হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের ঈশানবালায় ৪টি ওয়ার্ডে কয়েক হাজার পরিবারের বসবাস। গত বর্ষায় ঈশানবালায় ভাঙন দেখা দেয়ায় জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয়দের অনুরোধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিতে জিও টেক্সটাইল ব্যাগ ড্যাম্পিংয়ের কার্যক্রম হাতে নেয় সরকার।
সে হিসেবে ২০১৫ সালের আগস্টে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ডিসেম্বরে কাজ শুরু করেন। দু’মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশনা থাকলেও গত ৯ মাসে মাত্র ৪০ হাজার ব্যাগ ড্যাম্পিং করা সম্ভব হয়েছে। অথচ যেখানে ১ লাখ ৪২ হাজার ব্যাগ ড্যাম্পিং করার কথা ছিল।
স্থানীয়দের দাবি, গত ৯ মাসে কাজ হয়েছে শতকরা ৪০ ভাগেরও কম। এ কারণেই একপাশে চলছে ভাঙন, অন্যপাশে চলছে প্রতিরোধ কার্যক্রম। এদিকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে এলাকাবাসী ইতোমধ্যে মানববন্ধন, মিছিল ও উচ্চ পর্যায়ে তদবির শুরু করেছেন।
এলাকাবাসী রফিক, আল আমিন, রাকিবসহ অনেকেই জানান, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গড়িমসি করে কাজ করায় নদীর পানি বেড়ে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। ড্যাম্পিং করা অধিকাংশ জিও ব্যাগ ক্রমশ নদীর পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে ভাঙন কবলিত এলাকার লোকজন। ফলে হুমকির মুখে ওই এলাকার কয়েক হাজার পরিবার। তাদের অভিযোগ, এভাবে নদীর ভাঙন অব্যাহত থাকলে হাইমচরের বুক থেকে ঈশানবালা হারিয়ে যাবে।
এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, চাহিদা অনুযায়ী শ্রমিক না পাওয়ায় তারা কাজ এগুতে পারছে না। খুব সহসাই তারা কাজ শেষ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
হাইমচর উপজেলা চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটওয়ারী বলেন, ‘দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে আমরা বার-বার তাগিদ দিয়ে আসছি। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্থানীয় সাংসদ ডা. দীপু মনি প্রতিনিয়ত খোঁজ-খবর রাখছেন। তিনি অতি দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশ দিয়েছেন।’
এ ব্যাপারে নীলকমল ইউপি চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন সরদার জানান, ভাঙন প্রতিরোধে সরকারের যথেষ্ট আন্তরিকতা রয়েছে। শুধুমাত্র ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণেই ‘করলা দ্বীপ’ নামে খ্যাত ঈশানবালার হাজারো পরিবার আজ হুমকির মুখে।
এ অবস্থায় ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নিলে সহসাই ঈশানবালা হাইমচরের মানচিত্র থেকে মেঘনায় বিলীন হয়ে যাবে। তাই দ্রুত ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ঠিকাদারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।