বিনোদন ডেস্ক : সম্প্রতি ছদ্মবেশে হারমোনিয়াম নিয়ে রাস্তা গাইতে নেমে পড়েছিলেন ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সোনু নিগম। মেকাপে পুরো অচেনা বুড়ো বেশে তিনি মুম্বাইয়ের রাস্তায় বসে গাইছিলেন তার কালজয়ী গান ‘কাল হো না হো’। একটা মানুষও তাকে চিনতে পারেনি। উল্টো তাকে অনেকে ভিক্ষুক গায়ক হিসেবে টাকা পয়সাও দান করেছিল! সদ্য এমন ছদ্মবেশি এক্সপেরিমেন্টের ভেতর দিয়েই গেলেন দেশের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরি। তবে তিনি গান গাইতে হারমোনিয়াম নিয়ে রাস্তায় নামেননি, বরং ছদ্মবেশে সবজি বিক্রেতা হিসেবে ভ্যান নিয়ে রাস্তায় নেমেছিলেন!
মুখভর্তি কাঁচা পাকা দাড়ি, গায়ে মলিন পাঞ্জাবি আর কাঁদে একটা গামছা ঝুলিয়ে রাস্তার একেবারে পাক্কা সবজি বিক্রেতার মত সবজিতে পানি ছিটাচ্ছেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরি। আর হাঁকছেন ‘তাজা সবজি, ক্ষেতের থেইকা ডাইরেক্ট ভ্যানে’। পাক্কা ব্যবসায়ির মতো ক্রেতাদের মেপে দিচ্ছেন টমেটো, আলো, পটল আর পুঁইশাক ইত্যাদি। একজন ক্রেতাও চিনছেন না ছদ্মবেশি বিক্রেতাকে!
আসলে এটা সোনু নিগমের মত বাস্তব ব্যাপার নয়। বরং বাস্তবতার আদলে সবজি বিক্রেতা হিসেবে সদ্য চঞ্চল চৌধুরি অংশ নিয়েছেন সুপার শপ ‘স্বপ্ন’-এর একটি বিজ্ঞাপনে। গাউসুল আলম শাওনের পরিকল্পনা ও ভাবনায় এবং অমিতাভ রেজার পরিচালনায় ছদ্মবেশে রাস্তায় সবজি বিক্রেতা হিসেবে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরি।
বিজ্ঞাপনটি সম্পর্কে গাউসুল আলম শাওন বলেন, স্বপ্নের জন্য একটা নতুন ধরনের এক্সপেরিমেন্ট করলাম। পশ্চিমে এই ধরনের বিজ্ঞাপন আগেই শুরু হয়েছে, আমাদের এইখানে একটু নতুন। আমরা একটা কালচার গ্রে ঢাকাতে চালু করেছি অনবরত নতুন ধরনের কাজ করার চেষ্টা, যা আগে হয়নি।
প্রসঙ্গত, চঞ্চল চৌধুরি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন মঞ্চ, ছোট পর্দা ও বিজ্ঞাপনেও। বেশ কয়েক বছর ধরে তিনি বড় পর্দায়ও অভিনয় করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া তার অভিনীত ‘মনপুরা’র পর টেলিভিশনসহ আরো কিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় করলেও এরইমধ্যে তিনি আলোচনায় আছেন মুক্তি প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘আয়নাবাজি’র জন্য। অমিতাভ রেজার পরিচালনায় এবং ছবির মূল কাহিনি ও ভাবনা লিখেছেন গাউসুল আলম শাওন। শিগগিরই ছবিটি মুক্তির কথা রয়েছে।

