ঢাকাWednesday , 15 June 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাঁড়াশি অভিযানে ২১ জঙ্গি গ্রেপ্তার

Link Copied!

policeনিজস্ব প্রতিবেদক : সাঁড়াশি অভিযানের পঞ্চম দিনে মঙ্গলবার (১৪ জুন) দেশের বিভিন্ন স্থান মোট ২১ জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৫ জুন) দুপুরে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের জনসংযোগ কর্মকর্তা এ কে এম কামরুল আহছান ‍এ তথ্য জানিয়েছেন।
২১ জঙ্গির মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য ১৭ জন, হিজবুত তাহরির একজন, আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের ২ জন ও হরকাতুল জিহাদের (হুজি) এক সদস্য রয়েছে।
সাঁড়াশি অভিযানের চতুর্থ দিন সোমবার (১৩ জুন) সারাদেশে ২৬ জঙ্গিসহ সর্বমোট ৩ হাজার ১১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
এর আগের তিন দিনে পুলিশ ১১৯ জঙ্গিসহ ৮ হাজার ৯১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। অভিযানের তৃতীয় দিন রোববার (১২ জুন) ৩৪ জঙ্গিসহ ৩ হাজার ২৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ছাড়া প্রথম ও দ্বিতীয় দিনের অভিযানে সর্বমোট ৮৫ জন জঙ্গিসহ ৫ হাজার ৬৭১ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গত রোববার (৫ জুন) সকালে চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে প্রকাশ্যে পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে ছুরিকাঘাত ও গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
দুই মাস আগে পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সুপার হয়ে ঢাকায় আসার আগে চট্টগ্রামে গোয়েন্দা পুলিশে দায়িত্ব পালন করেন বাবুল আক্তার। সে সময় তার নেতৃত্বে জেএমবির আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরকসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যাদের মধ্যে নেতা পর্যায়ের একজন পুলিশের সঙ্গে এক অভিযানে থাকা অবস্থায় গ্রেনেড বিস্ফোরণে নিহত হন।
ঘটনার দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছিলেন, ‘বাবুল আক্তার একজন দক্ষ, সৎ অফিসার এবং জঙ্গি দমনে প্রচুর কাজ করেছে। তাই তাকে না পেয়ে তার স্ত্রীকে এভাবে হত্যা করা হয়েছে।’
মিতু হত্যার তিন দিন পরই তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও জঙ্গি ধরতে বিশেষ অভিযানের ঘোষণা দেয় পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
দেশে অব্যাহত গুপ্তহত্যা ঠেকানোর উপায় হিসেবে এই কৌশল নিয়েছে পুলিশ। এই অভিযান চলবে টানা সাত দিন।
যদিও এই অভিযানের নামে বিরোধী দমনের কৌশল এবং পুলিশের গ্রেপ্তার বাণিজ্য, ঈদ বকশিশ আদায়ের সুযোগ করে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করছে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি। কিন্তু পুলিশ বলছে, জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ দমনে এমন অভিযানের প্রয়োজন রয়েছে।