নিজস্ব প্রতিবেদক : তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বর্তমান সরকারের সময়ে গণমাধ্যম পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করছে। তবে অবাধ এ স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে কোনো কোনো সংবাদ মাধ্যম অসত্য প্রতিবেদনও প্রকাশ করছে, যা হলুদ সাংবাদিকতার নামান্তর।
মঙ্গলবার (১৪জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে কক্সবাজার-১ আসনের জাতীয় পার্টির সদস্য মোহাম্মদ ইলিয়াছের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তথ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘হলুদ সাংবাদিকতার প্রবণতা ও প্রকরণ বিষয়ে পিআইবির একটি গবেষণা কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং তা রিপোর্ট আকারে প্রকাশিত হয়েছে। হলুদ সাংবাদিকতা রোধের ক্ষেত্রে রিপোর্টটি অনেকটাই অনুঘটক (ক্যাটালিস্ট) হিসেবে কাজ করবে।’
হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘ইলেকট্রনিক মাধ্যমে কর্মরত রিপোর্টারদের সংবাদ প্রতিবেদন তৈরিতে মানদণ্ড অনুসরণে সহায়তার জন্য জাতীয় গণমাধ্যমে ইনস্টিটিউট ‘এথিকস অব জার্নালিজম’ শিরোনামে সেশন পরিচালনা করে আসছে।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল হলুদ সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে স্ব উদ্যোগে অথবা অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি আমলে নিতে পারে। প্রকাশিত সংবাদ হলুদ সাংবাদিকতার দায়ে দুষ্ট হিসেবে বিবেচিত হলে প্রেস কাউন্সিল সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থা, সম্পাদক ও সাংবাদিককে সতর্ক, ভর্ৎসনা এবং তিরস্কার করতে পারেন।’
সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য গাজী ম. ম. আমজাদ হোসেন মিলনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা-২০১৪-এর ৪.৪ নম্ব অনুচ্ছেদে শিশু ও নারীর অধিকার রক্ষায় বেশ কিছু নির্দেশনা রয়েছে।’
৩.৬.২ নম্বর অনুচ্ছেদে শিশু ও নারীর প্রতি সহিংসতা, হয়রানীমূলক আচরণ বা শাস্তিমূলক কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করে এমন অনুষ্ঠান সম্প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা বলে তথ্যমন্ত্রী জানান।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম হিসাবে বাংলাশে টেলিভিশনে শিশু ও নারী নির্যাতন বন্ধে জনসচেতনা বৃদ্ধিও লক্ষ্যে ৯টিরও বেশি অনুষ্ঠান নিয়মিতভাবে সম্প্রচার করা হচ্ছে।’

