নিজস্ব প্রতিবেদক : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ৩০০ নির্বাচনী এলাকায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশনের বিশেষ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের অনুমোদন হলে প্রতিটি নির্বাচনী আসনে বিভিন্ন ধরনের পানির উৎস বা নলকূপ স্থাপন করা হবে।
সোমবার (১৩ জুন) সকালে দশম জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদে এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্প’-এর আওতায় লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলায় ৩২টি ও কমলনগর উপজেলায় ৩৮টি গভীর নলকূপ বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে, যা আগামী অর্থবছরের মধ্যে স্থাপন করা হবে।’
নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য কামরুল আশরাফ খান-এর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় ১০টি অগভীর নলকূপ এবং ২৪টি গভীর নলকূপ স্থাপন করার পরিকল্পনা সরকারের আছে।’ আগামী বছর জুনের মধ্যে পানির উৎসগুলো স্থাপন করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।
সরকারি দলের আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইনের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে ২৩ লাখ ৭৮ হাজার ৪১১টি ক্ষুদ্র আয়বর্ধক পারিবারিক খামার গড়ে তোলা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় গড়ে ওঠা এসব খামারে সমিতির সদস্যরা ক্রমপুঞ্জিতভাবে ২ হাজার ৯২১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছে।’
তিনি বলেন, ‘একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের আওতায় মডেল ক্ষুদ্র ঋণের পরিবর্তে ক্ষুদ্র সঞ্চয়কে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নপ্রসূত একটি প্রকল্প। সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ৬৪টি জেলার ৪৮৫টি উপজেলায় ৪ হাজার ৫০৩টি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে মোট ৪০ হাজার ৩৪৪টি সমিতির মাধ্যমে প্রায় ২২ লাখ দরিদ্র পরিবার তথা ১ কোটির অধিক দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সেবার আওতায় আনা হয়েছে।’
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘এ সকল দরিদ্র জনগণের গড়ে ওঠা তহবিল দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ হাজার ৯৩৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। যার মধ্যে সদস্যদের নিজস্ব সঞ্চয় ৯৪৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকা এবং সরকার উৎসাহ বোনাস ও আবর্তক তহবিল হিসেবে প্রদান করেছে ১ হাজার ৮৬১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। অবশিষ্ট ১২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যাংক সুদ ও সেবামূল্যের মাধ্যমে যোগ হয়েছে।’

