ঢাকাTuesday , 7 June 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ন্যাটোর সর্ববৃহৎ সামরিক মহড়া শুরু

Link Copied!

netoআন্তর্জাতিক ডেস্ক : পূর্ব ইউরাপের দেশ পোলান্ডে ইতিহাসের সবচাইতে বড় যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে ন্যাটো। ১০ দিনের এই মহড়ায় বিভিন্ন দেশের ৩১ হাজারের বেশি সেনা অংশ নিচ্ছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক ‘দ্য গার্ডিয়ান।’ স্নায়ুযুদ্ধের পর এটিই ন্যাটোর সর্ববৃহৎ সামরিক মহড়া।
পত্রিকাটি বলছে, এই মহড়ায় মার্কিন, ব্রিটিশ, পোলিশসহ ও ন্যাটোর ২৪টি দেশের সেনা ও হাজার হাজার সামরিক যান অংশ নিচ্ছে। পোল্যান্ডের সমুদ্র, স্থল ও আকাশপথে চলা এই সামগ্রিক মহড়ার নাম দেয়া হয়েছে এনাকোন্ডা-১৬। মহড়ায় ১৪ হাজার মার্কিন, ১২ হাজার পোলিশ ও ৮শ ব্রিটিশ সেনা অংশ নিয়েছে। বাকিরা এসেছে ন্যাটোর বাইরের দেশগুলো থেকে।
ন্যাটো সম্মেলনের মাত্র সপ্তাহ খানেক আগে এই মহড়া শুরু হল। সম্মেলনে পোল্যান্ড ও বাল্টিক দেশগুলোতে একটা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেনা মোতায়েন করার ব্যাপারে এই সম্মেলন থেকে নেটো নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
এদিকে এই মহড়াকে কেন্দ্র করে পূর্ব ইউরোপে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ারও আশঙ্কা রয়েছে। দু’বছর আগে ইউক্রেনের ক্রাইমিয়া নিয়ে রাশিয়া যে আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছিলো তার পটভূমিতে সেখানে শক্তির জানান দিয়ে সদস্য দেশগুলোকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা বলে মনে হচ্ছে এই মহড়াকে।
এমন শক্তির প্রদর্শনীতে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লেভারভ বলেছেন, রাশিয়ার সীমান্তের এত কাছে ন্যাটো সেনারা অবস্থান নিলে সেটি তার দেশের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি হিসেবে দেখা দেবে। লেভারভ বলেছেন, রাশিয়ার সীমান্তের কাছাকাছি ন্যাটো যে সামরিক উপস্থিতি নিয়ে আসছে, অন্য দেশগুলোকেও যে ধরনের সেনা কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসছে এই বিষয়টিকে রাশিয়া মোটেই ভালোভাবে দেখছে না। দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য রাশিয়ার সার্বভৌম অধিকার ও শক্তি রয়েছে বলে তিনি জোরালোভাবে জানান দিয়েছেন।
এনাকোন্ডা-১৬ নামের এই সামরিক মহড়া শুরু হয়েছিল ২০০৬ সালে এবং প্রতি দুই বছর অন্তর এটি হয়ে থাকে। তবে এবারের নতুন বিষয় হলো, প্রচলিত যে সব হুমকি আছে, সেগুলোর পাশাপাশি সাইবার হামলার মতন নতুন ধরনের হুমকি মোকাবেলায় ন্যাটো কতটা সমর্থ সেটি যাচাই করে নেয়া।