ঢাকাTuesday , 7 June 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এ বাজেট সরকারের সক্ষমতার প্রমাণ

Link Copied!

Muhitনিজস্ব প্রতিবেদক : অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, ৯০ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ হাজার কোটি টাকা বাজেটের আকার সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ বটে। তবে এটা সরকারের সক্ষমতারও প্রমাণ।
মঙ্গলবার (৭জুন) সকালে দশম জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে সম্পূরক বাজেটের উপর দেয়া সমাপনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জাতীয় পার্টির কোনো বাজেট দেয়নি। আমি জাপার জন্মের আগে সব বাজেট দিয়েছি। আমি জেনারেল এরশাদ সাহেবের বাজেট দিয়েছি, যেটা নির্দলীয় সরকার ছিল।’
এর আগের বছরগুলোতেও রাজস্ব আদায় কম হয়েছে, তবে এতোটা কম হয়নি দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ‘রাজস্ব আদায়ের এই স্থবিরতা সাময়িক। সম্পূরক বাজেট উপস্থাপন সরকারের সাংবিধানিক অধিকার। সংবিধান অনুযায়ী এই বাজেট দেয়া হয়।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘একজন বিশিষ্ট নেতা আমার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও ঐতিহ্য সম্পর্কে প্রশ্ন করেছেন, তার করাটা স্বাভাবিক। কারণ তার জন্মের আগে আমি একজন প্রশ্নবিদ্ধ রাজনীতিবিদ ছিলাম। আমার সময় আমি ছাত্র নেতৃত্বের অন্যতম শীর্ষতম ব্যক্তি ছিলাম। এটা উনার অবশ্য জানার সুযোগ হয় নেই, কেননা পড়াশুনো উনাদের মধ্যে তেমন একটা আসে না।’
অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা এখানে যে দাবি উত্থাপন করেছি, তা প্রক্কলিত ব্যয় থেকে বেশি করেছি। কম যখন হয় তখন দাবি বা প্রার্থনা করতে হয় না। আমি বলতে পারি বেশি খরচ হয়নি। কমই হয়েছে। দাবিটা ১৯ থেকে ২৫ হয়েছে।’
দুর্নীতি প্রকল্প ব্যয় বাড়িয়ে দেয় উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দেরিতে হলেও সরকার বিভিন্ন মেগা প্রকল্প গ্রহণ করছে। অর্থনৈতিকভাবে আমরা এখন এমন অবস্থানে পৌঁছেছি যে, এ ধরনের মেগা প্রকল্প গ্রহণে আমরা সক্ষম।’
আমলাতন্ত্রের কারণে বাজেট বাস্তবায়ন হচ্ছে না এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দোষ দেয়া যায়, কিন্তু আমি তাদের ধন্যবাদ জানাই এইজন্য যে, আমরা যে বাজেট দিয়েছি তাদের জীবনে এত বড় বাজেট দেখেননি। যা গত ৭ বছরে ৯১ হাজার কোটি থেকে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটিতে এসে দাঁড়িয়েছে। চ্যালেঞ্জটা অনেক বড়, সেটার সাথে যে তারা যে চলতে পারছে এজন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘গত অর্থ বছরে আমাদের রাজস্ব যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। তার আগের বছরগুলোতে সব সময় কম হয়েছে। কিন্তু এরকম কম হয়নি। আমি এটা আমলে নেইনি।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বৈদেশিক সংস্থায় যেগুলো বিভিন্ন ধরনের হিসাব দিয়ে সেটা সবসময়ই একচুয়াল (প্রকৃত) থেকে কম হয়। সেজন্য (প্রবৃদ্ধির) কোনো প্রজেকশন (লক্ষ্যমাত্র) ৭.০৫ কম করা উচিত না। আমি নিশ্চিত (প্রবৃদ্ধি)৭.০৫ থেকে কম কখনো হবে না। আমাদের প্রতিষ্ঠিত ব্যুরো অত্যন্ত উৎকৃষ্ট প্রতিষ্ঠান। তারা যে হিসাব দেয় সেটাই সত্যি।’
স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি তিন মাস পরেই দেখবেন অন্যান্য বেদেশি সংস্থা ৭.০৫ গ্রহণ করবে। ওদের প্রজেকশন এর ধারণা আসলে স্ট্যাডি করে হয় না। প্রজেকশন দেয়ার দরকার, দেয়। একজন সংসদ সদস্য বলেছেন, লক্ষ্যমাত্র ৬ থেকে ৭ এ উপনীত হয়েছে। তাহলে আপত্তি কেনো? আপত্তির কোনো কারণ নেই।’