বিনোদন ডেস্ক : তুখোড় মডেল, অভিনেত্রী এবং সঙ্গীতশিল্পী যে পরিচয়েই তাকে অভিধা করা হোক না কেন, সেখানেই তিনি ‘গ্রেট’! চল্লিশের শেষ দিকে এসে শুধু হলিউড অঙ্গন নয়, বিশ্বকে হতবাক করে দিয়েছিলেন তার রূপ ও যৌবনের ঝলকানিতে! বলছিলাম চির শুভ্র রঙিন আর অমলিন নায়িকা মেরেলিন মনরোর কথা! আজ তিনি পা রাখলেন নব্বই বছরে! যদিও তিনি শারিরিকভাবে অনুপস্থিত আছেন সেই ১৯৬২ সাল থেকে! তবে পৃথিবীর মানুষ তার নব্বই বছরেও ধারন করে আছে সেই রূপবতী মেরিলিনকে!
১৯২৬ সালে জন্ম নেয়া মেরিলিন মনরো ১৯৬২ সালের ৫ আগস্ট রাতে রহস্যজনকভাবে মারা যান। তার মৃত্যু নিয়ে রহস্য আছে আজও।সেসময় অনেকের সন্দেহ ছিল যে মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ নয়, বরং কোনো বিশেষ কারণে মনরোকে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছে। তার এই মৃত্যু কাঁদিয়েছিল পুরো বিশ্বকে। হলিউডের প্রথম ‘যৌনাবেদনময়ী নায়িকা’ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মনরো। যদিও শোবিজ অঙ্গনে সিনেমা দিয়ে নয়, বরং মডেলিং দিয়ে যাত্রা করেন তিনি।
মডেলিং থেকে সিনেমায় আসেন নরমা জেন মর্টেনশন। কিন্তু এই শোবিজ জগতে এসেই নাম পরিবর্তন করতে হয় তাকে। এরপরই তিনি হয়ে উঠেন মেরিলিন মনরো। ১৯৪৭ সালে ‘টুয়েন্টিনথ্ সেঞ্চুরি-ফক্স’-স্টুপিওর সাথে চুক্তি বদ্ধ হন মনরো এবং দুটি মুভিতে তাকে প্রথমবারের মত দেখা যায়। ১৯৫০ সালে ‘অল অ্যাবাউট ইভ’ নামে সিনেমায় প্রথম অভিনয় করেন তিনি। ১৯৫৭ সালে মুক্তি পায় বিখ্যাত ছবি ‘দ্য সেভেন ইয়ার ইটচ’। এছাড়াও হাউ টু মেরি অ্যা মিলিওনিয়ার, দ্য প্রিন্স অ্যান্ড দ্য শোগার্ল প্রভৃতি ছবিতে অভিনয় করে তিনি বিশ্বকে মন্ত্রমুগ্ধ করেন। সাম লাইক ইট হট ছবিতে অভিনয় করে তিনি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

