ঢাকাSaturday , 4 June 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কাঁচা পাট রপ্তানি বেড়েছে ৩৮%

Link Copied!

Juteনিজস্ব প্রতিবেদক : ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল মেয়াদে কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয় কিছুটা বেড়েছে। তবে এ খাতে অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসের লক্ষ্যমাত্রা হয়নি। আলোচ্য সময়ে কাঁচা পাট রপ্তানিতে বৈদেশিক মুদ্রার আয় বাড়লেও কমেছে পাটজাত রপ্তানি আয়। গত অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল মেয়াদের চেয়ে চলতি অর্থবছরের একই সময়ে কাঁচা পাট রপ্তানি আয় ৩৮ শতাংশ বেড়েছে।
বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) মে মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৮৬ কোটি ৮৫ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ওই অর্থবছরের ১০ মাসে আয় হয়েছিল ৭২ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।
চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৪ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ১০ মাসের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৬ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। এই সময়ের মধ্যে আয় হয়েছে ৭২ কোটি ৯৮ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ কম। তবে গত অর্থবছরের ১০ মাসের তুলনায় পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানি আয় শূন্য দশমিক ৭৮ শতাংশ বেড়েছে।
২০১৪-১৫ অর্থবছরে কাঁচা পাট রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১১ কোটি ১৫ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার; পাটের সুতা ও কুণ্ডলী রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৫ কোটি ২৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১৩ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।
চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরে কাঁচা পাট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার; পাটের সুতা ও কুণ্ডলী রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯ কোটি মার্কিন ডলার এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭ কোটি মার্কিন ডলার।
হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল মেয়াদে কাঁচা পাট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৯ কোটি ৬ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। এই সময়ের মধ্যে কাঁচা পাট রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১২ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৫ দশমিক ৭২ শতাংশ বেশি। একইসঙ্গে গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে এই খাতে।
ইপিবির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরের ১০ মাসে পাটের সুতো ও কুণ্ডলী রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪৫ কোটি ২৫ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ দশমিক ২২ শতাংশ কম। একইসঙ্গে গত অর্থবছরের তুলনায় এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় ১ দশমিক ০৫ শতাংশ কমেছে।
আলোচ্য সময়ে পাটের বস্তা ও ব্যাগ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১০ কোটি ২০ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৫ দশমিক ৮০ শতাংশ কম। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই খাতে আয় হয়েছিল ১২ কোটি ৪৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।
চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল মেয়াদে পাটের অন্যান্য দ্রব্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫ কোটি ২২ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩ দশমিক ৮৭ শতাংশ কম। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই খাতের আয় ১ দশমিক ৬৯ শতাংশ কমেছে।