ঢাকাFriday , 3 June 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

উৎসে কর বাড়ালে বন্ধ হবে আরো পোশাক কারখানা

Link Copied!

BGMEAঅর্থনৈতিক প্রতিবেদক : ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে সকল ধরনের রপ্তানির ক্ষেত্রে উৎসে করের হার শূন্য দশমিক ৬০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১ দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি করলে শিল্পের স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হবে। তাই প্রতিযোগী সক্ষমতা ধরে রাখতে পোশাকশিল্পে উৎসে কর ২০১৪-১৫ অর্থবছরের ন্যায় শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশ হারে ধার্য করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানায় বিজিএমইএ।
শুক্রবার প্রস্তাবিত বাজেটোত্তর প্রতিক্রিয়ায় সংবাদ সম্মেলনে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, উৎসে কর বিক্রয়ের উপর কর্তন করা হয়, মুনাফার ওপর নয়। যে কারখানাটি শ্রমিকদের মজুরি দেয়া, বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল পরিশোধ করা, পরিবহনখাতে ব্যয় করাসহ বিভিন্নখাতে ব্যয় করার পর মাত্র ৩ শতাংশ মুনাফা অর্জন করতে পারে, সেই কারখানাটির জন্য ১ দশমিক ৫০ শতাংশ হারে উৎসে কর কর্তন অত্যন্ত কঠিন। অর্থাৎ ৩ শতাংশ মুনাফা হলে এর ওপর প্রদেয় করহার দাঁড়াচ্ছে ৫০ শতাংশ।
উদ্বেগের বিষয় যে, গত ৩ বছরে বিভিন্ন কারণে সক্ষমতা হারিয়ে ৬১৮টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। আরও ৩১৯টি কারখানা বন্ধ হওয়ার পথে। উৎসে করের বিষয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেয়া হলে আরও অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এ্যাকর্ড, এ্যালায়েন্স ও ন্যাশনাল একশন প্লান এর মাধ্যমে কারখানাগুলোকে যে রিমেডিয়েশন প্লান দেয়া হচ্ছে, তা বাস্তবায়ন করতে একটি ক্ষুদ্র বা মাঝারী শ্রেনীর কারখানাকে গড়ে ৫ থেকে ১০ কোটি টাকা খরচ করতে হয়। এই পরিস্থিতিতে ১ দশমিক ৫০ শতাংশ হারে উৎসে কর কর্তন করা হলে শিল্পের বিরাজমান সংকট আরও তীব্রতর হবে। এ শিল্প প্রতিযোগি সক্ষমতা কোনভাবেই ধরে রাখা সম্ভব হবে না।
সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে তৈরি পোশাক শিল্পে কর্পোরেট করহার ৩৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাবকে আমরা স্বাগত জানাই। তবে আমরা আশা করবো এটি ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে।
এদিকে, শিল্পকে উৎসাহিত করতে রপ্তানিখাতের প্রনোদনা বাবদ ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা, মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির রেয়াতি হারে শুল্কায়ন সুবিধা বহাল, অগ্নি-নির্বাপক যন্ত্রপাতি বা উপকরন ও প্রি-ফ্যাব্রিক্যাটেড বিল্ডিং তৈরির উপকরনে শূল্ক রেয়াতের প্রস্তাব করা, গার্মেন্টস মহিলা শ্রমিকসহ দরিদ্র ল্যাকটেটিং মা’দের জন্য ভাতা প্রদানের প্রস্তাব এবং দক্ষ মানব সম্পদ গঠনে বাজেটে উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ রাখায় সরকারকে ধন্যবাদ জানায় বিজিএমইএ।