ঢাকাMonday , 11 April 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কেরালায় মন্দিরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আটক ৫

Link Copied!

koralaআন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের কেরালা রাজ্যের কোল্লম জেলার পারাভুরের পুত্তিঙ্গল দেবী মন্দিরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ওই উপাসনালয়ের পাঁচ কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। রোববারের ওই অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১২তে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন প্রায় ৪শ’ জন।
রোববার নববর্ষের উৎসবের সময় আতশবাজি প্রতিযোগিতা চলাকালে মন্দিরে আগুন ধরে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পুলিশ জানায়, মন্দিরে ওই উৎসবকে ঘিরে ১০ থেকে ১৫ হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। এ ঘটনায় পুলিশ রোববার মন্দিরের পাঁচ কর্মীকে আটক করেছে। এছাড়াবাজি সরবরাহকারী দুই ঠিকাদার ভারকালা কৃষ্ণকুট্টি ও কাজাকুত্তোম সুরেন্দ্রণের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করা হয়েছে। কৃষ্ণকুট্টি পলাতক রয়েছে এবং আগুনে সুরেন্দ্রণ গুরুতর আহত হয়েছে। মন্দিরের গুদামঘরে বিনা অনুমতিতে ১৫০ কেজি বাজি মজুতের অভিযোগ উঠেছে সুরেন্দ্রেণের বিরুদ্ধে। আগুন লাগার পর থেকে পলাতক রয়েছেন মন্দিরের ১৫ সদস্যের কমিটির সদস্যরাও। পুলিশ তাদের আটক করার জন্য খুঁজছে।
কোল্লম পুলিশ প্রধান পি. প্রকাশ বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ কর্মীকে আটক করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এটা কেবল আনুষ্ঠানিক আটক নয়। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের নাম বেরিয়ে আসবে। ফলে আমরা উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে পারব।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আতশবাজির প্রতিযোগিতার অনুমতি ছিল না মন্দির প্রশাসনের কাছে। অথচ শনিবার সকাল থেকেই এ নিয়ে পুরস্কার ঘোষণা করে ছড়ানো হয় প্রচারপত্র। রোববার ভোর তিনটা শুরু হয় আতশবাজি ফাটানোর প্রতিযোগিতা। এর কিছু পরেই দোতলা ভবনটিতে জড়ো করে রাখা আতশবাজির স্তূপে গিয়ে পড়ে আগুনের আগুনের ফুলকি। মুহূতেই গোটা মন্দির ও মন্দির চত্বরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মন্দিরের যে ঘরে আতশবাজিগুলো রাখা ছিল সেটি পুরোপুরো ধ্ববংস হয়ে গেছে।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উম্মেন চান্ডি এ ঘটনার তদন্তের ভার দিয়েছেন হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত এক বিচারপতিকে। তদন্তে নামছে রাজ্য পুলিশের অপরাধ দমন শাখাও। এর আগে মৃতদের পরিবারের জন্য দশ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।