নিজস্ব প্রতিবেদক : শিক্ষা আইন ২০১৬-এর সাতটি ধারা সংশোধনের দাবিতে নীরব প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি।
রোববার (১০ এপ্রিল) বেলা সোয়া ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই কর্মসূচি পালন করেন তারা। এ সময় তারা মুখে কালো ব্যাজ পরিধান করে কর্মসূচিতে অংশ নেন। এই অবস্থান কর্মসূচি ঘণ্টাব্যাপী স্থায়ী হয়।
পুস্তক প্রকাশক সমিতির সভাপতি আলমগীর সিকদার লোটন বলেন, ‘প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন আমাদের পরিপন্থি। আমরা মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীকে সহায়তা করতে চাই। সাতটি উপধারা সংশোধনের দাবি জানাচ্ছি। আমরা এনসিটিভিকে ছাড়া বই বের করতে পারব না, এই আইনের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতাকে খর্ব করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমে রিপোর্ট এসেছে, দেশের ৯৪ ভাগ শিক্ষার্থী সৃজনশীল সহায়ক গ্রন্থের ওপর নির্ভরশীল। এ ছাড়া ৫৪ ভাগ সৃজনশীল পদ্ধতি ভালোভাবে বোঝে না। আমরা তাদেরকে সহায়তা করতে চাই।
সহ-সভাপতি শ্যামল দত্ত বলেন, এনসিটিভি নিজেই বই প্রকাশ করে। সে আমাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে না। এনসিটিভি’র অনুমতি ব্যতীত বই প্রকাশ করতে না পারা আইনটা কার্যকর হলে কার্যত আমাদের ফাঁসিতে ঝোলানো হবে।
সংশোধনের জন্য দাবি করা ধারাগুলো হল : খসড়া আইনের ২ (৩১) উপধারায় নোট ও গাইড বইয়ের সংজ্ঞা, প্রথম অধ্যায়ের ৭ (৬) ও তৃতীয় অধ্যায়ের ২১ (৫) ধারায় এনসিটিভির অনুমোদন এর ধারা, ৭ (১১), ৭(১২), ৭ (৯) ও ২১ (৬)।
এ সময় তারা বিভিন্ন প্রতীবাদী প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে। তাতে লেখা ছিল ব্যবসায়িক স্বার্থে এনসিটিভিকে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ঘোষণা চলবে না, আইন করে সৃজনশীল সহায়ক গ্রন্থের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ চলবে না, স্বাধীনভাবে বই প্রকাশ প্রকাশকদের সাংবিধানিক অধিকার, ২৫ লক্ষ মানুষকে বেকারত্বের দিকে ঠেলে দেয়া কি অপরাধ নয়? প্রভৃতি।

