
নিজস্ব প্রতিবেদক : ডিজিটাইজেশনের অংশ হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ই-লাইব্রেরি। ৫৬ হাজার বই ও জার্নালে সমৃদ্ধ এই লাইব্রেরি সব ধরণের আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই ই-লাইব্রেরিতে বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে শতাধিক পাঠক বসেন এবং ৭শ’র বেশি পাঠক অনলাইনে এটি ব্যবহার করছেন। এখানে ৭ হাজার ই-বুক, ২৫ হাজার ই-জার্নাল, ১ হাজার সিডি ও ডিভিডি রয়েছে। নির্বিঘ্নে এবং একান্তে অধ্যয়ন ও গবেষণার জন্য রয়েছে ৬টি স্টাডি ক্যারল। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জন্য রয়েছে এক্সিকিউটিভ কর্নার। গ্রুপ ডিসকাশনের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে ছোট মিটিং রুমের। সর্বশেষ আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে এতে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন ডিটেকশন (আরএফআইডি) ব্যবস্থা চালু রয়েছে। ই-লাইব্রেরির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মীরা তাদের আইডি নম্বর ব্যবহার করে নিজেরাই বই ইস্যু ও ফেরত দিতে পারবেন। এ ছাড়া ইংরেজি, জার্মান, জাপানি ও ফরাসি ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এখানে রয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ অডিও ভিজ্যুয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ এন্ড সাইবার সেন্টার। লাইব্রেরিটিতে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট, সার্কুলার ও গবেষণাকর্ম সংরক্ষণের জন্য রয়েছে ইন্সটিটিউশনাল রেপোসিটরি (Institutional Repository-IR)। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান গত ২৩ ফেব্রুয়ারি এই ই-লাইব্রেরি উদ্বোধন করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিশ্বের অনেক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লাইব্রেরির তুলনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের এই ই-লাইব্রেরি কোন অংশে পিছিয়ে নেই; বরং কোন কোন ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে। তারা এটিকে দেশের সেরা লাইব্রেরি বলেও অভিহিত করেন। তারা আরো জানান, এই লাইব্রেরির সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মীদের বিচক্ষণতা বৃদ্ধি প্রয়োজন। এই লাইব্রেরি সে কাজে কর্মীদের সহায়তা করবে এবং তাদের জ্ঞানের ভান্ডার বৃদ্ধিতে বিরাট ভূমিকা পালন করবে।

