স্পোর্টস ডেস্ক : বুধবার রাতটি চরম হতাশার কেটেছে বাংলাদেশের ক্রিকেটের। বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের কাছে টাইগাররা হেরে যায় মাত্র ১ রানের আফসোস নিয়ে। এই পরাজয়কে বিভিন্নভাবে দেখছেন সাবেক ক্রিকেটাররা। ভারতের কিংবদন্তি কপিল দেব যেমন বলছেন, ভারতের কাছে হেরেও জিতেছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের কিংবদন্তি ওয়াসিম আকরাম বলছেন, বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারতের জয়টাকে অলৌকিক ছাড়া অন্য কিছু বলতে পারছি না।
নানা মুনির নানা মত, থাকবেই। কিন্তু এই হারের ক্ষত আবার কতদিন থাকে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের, তা কে জানে? ২০১২ সালে এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ২ রানে হেরে যান টাইগাররা। সেই দুখঃস্মৃতি এখনো তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে এ দেশের ক্রিকেটানুরাগীদের।
এখন প্রশ্ন থেকে যায়, বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ভারতের কাছে হারের দায়টা কার? ভালো খেলেও শেষ পর্যন্ত মহেন্দ্র সিং ধোনির পাতানো ফাঁদে পা রাখলেন টাইগাররা? শেষ তিন বলে চাই দুই রান! এতো আহামারি কিছু নয়। তার পরও ওভাবে বাউন্ডারি হাঁকাতে যাওয়া কতটা বাঞ্চনীয়, সেখানেই থাকছে প্রশ্নচিহ্ন। তবে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা কাউকে দোষারোপ করলেন না। কাউকে ইঙ্গিতও দিলেন না। বরং দায়টা ভাগ্যকেই দিতে চাইলেন! আসলেই ব্যাপারটা কিন্তু তেমনই। বাংলাদেশকে জয় এনে দিতে চেষ্টার কোনো ত্রুটি ছিল না মাহমুদুল্লাহ-মুশফিকদের।
শেষ ওভারে ১১ রান দরকার বাংলাদেশের। মাহমুদুল্লাহর ১+মুশফিকের দুটি বাউন্ডারিতে ৮=৯ রান। জয়ের জন্য আর চাই ১১-৯= ২ রান। হাতে বল বাকি ৩টি। কিন্তু ভাগ্যদেবী হাত বাড়ালেন ভারতের দিকে! শেষ তিন বলে বাংলাদেশের তিনজন খেলোয়াড় আউট। ম্যাচটা ভারত জিতে নিল ১ রানে।
হারের পর অবশ্য মাশরাফি আক্ষেপের সুরেই বলেছিলেন, ‘আমি কাউকে দায়ী করছি না। আমি কাউকে দায় দিচ্ছি না। তবে আরেকটু সাবধানী হলে আমাদের হয়তো এ অবস্থা হতো না। এখান থেকে আমাদেরকে অবশ্যই বেরিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট তো এখানেই থেমে থাকার নয়। আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে সামনের দিকে।’

