শেরপুর প্রতিনিধি : শেরপুরে ১২ বছর বয়সের এক মাদরাসা শিক্ষার্থী বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। এ ঘটনায় বরকে ১০ দিনের জেল দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
১৩ মার্চ রোববার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে। আজমিনা আক্তার (১২) সদর উপজেলার তাতালপুর গ্রামের আয়ুব আলীর মেয়ে। সে নৌহাটা এলাকার আল জামিয়াতুল ইসলামী আলিম মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
সন্ধ্যায় শিশু শিক্ষার্থী আজমিনার সঙ্গে জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার মরিচপুরাণ গ্রামের আহম্মদ আলীর ছেলে উজ্জ্বল মিয়ার (১৮) বিয়ে ঠিক হয়। এদিকে এ বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে এলাকার সচেতন এক ব্যক্তির মাধ্যমে ওই মাদরাসার শিক্ষক এবং শেরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাবিহা জামান শাপলাকে অবহিত করা হয়। পরে রোববার সন্ধ্যায় ওই শিশুটির বাড়িতে বিয়ের আয়োজন করা হলে সাবিহা জামান শাপলা সদর উপজেলা ইউএনও মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানকে বাল্যবিয়ের বিষয়টি জানালে সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মোবাইল কোর্ট এ সময় ওই গ্রামে গিয়ে বিয়ে বাড়ি থেকে বর উজ্জ্বল মিয়াকে আটক করে।
এদিকে, মোবাইল কোর্টের খবর পেয়ে বিয়ে বাড়ির লোকজন এবং বরের আত্মীয়রা পালিয়ে যায়। মোবাইল কোর্ট বর উজ্জ্বলকে ১০ দিনের জেল এবং কনে শিশু আজমিনাকে তার মা-বাবার হেফাজতে দেন। বরকে রাতেই শেরপুর সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।

