ঢাকাThursday , 10 March 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কাণ্ডটা মন্ত্রীর অগোচরে এপিএসের…

Link Copied!

ntrcaফরিদপুর প্রতিনিধি : মন্ত্রীর অগোচরেই কাণ্ডগুলো করে গেছেন এপিএস। যোগ্যতা না থাকলেও শুধু ক্ষমতাবলে অর্থের বিনিময়ে চাকরির জন্য সুপারিশ করেছেন যাকে তাকে। এতে এপিএস পকেট ভরিয়েছেন আর চাকরি পেয়েছেন জাল সনদধারীরা। তবে এক পর্যায়ে ধরাও পড়েছেন। চাকরিচ্যুত হয়েছেন। মন্ত্রীও ঘটনা জানতে পেরে তাকে কাঠোর বিচারের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন। ভয়ে দেশছাড়া হয়ে গেছেন এপিএস।
সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের এক প্রতিবেদনে জাল নিবন্ধন সনদে দীর্ঘদিন ধরে ফরিদপুর মহাবিদ্যালয়ে দুই শিক্ষকের চাকরি করার তথ্য জানা গেছে।
এদের মধ্যে একজন এমপিওভুক্ত হয়ে ইতোমধ্যে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা সরকারি কোষাগার থেকে বেতন হিসেবে তুলেছেন।
ওই প্রতিবেদনে জানা গেছে, ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামটে অবস্থিত ফরিদপুর মহাবিদ্যালয়ে ২০১৫ সালের ১১ মে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অডিট সম্পন্ন হয়। ওই অডিটে বের হয়ে আসে দুই শিক্ষকের জাল নিবন্ধন সনদের চাঞ্চল্যকর তথ্য।
অডিট রিপোর্টের ‘ট’ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক রাধা রানী সরকার ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক নরেশ চন্দ্র মন্ডলের (ইনডেক্স ১৩২৫০৩১৮) নিবন্ধন সনদ সঠিক নয় মর্মে প্রত্যায়ন করা হয়েছে। এজন্য তাদের নিয়োগ বৈধ নয়।
অডিটে আরো বলা হয়েছে, রাধা রানী সরকার এমপিওভুক্ত নন। তিনি ভবিষ্যতেও এমপিও ভুক্ত হওয়ার যোগ্য নন। নরেশ চন্দ্র মন্ডল গেল ২০১২ সালের ২৫ ডিসেম্বর থেকে এমপিওভুক্ত হয়েছেন। ওইদিন থেকে গেল বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত তার বেতনভাতাদি বাবদ গ্রহণ করা মোট ৩ লাখ ৪১ হাজার ২৫০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরতযোগ্য।
সূত্রমতে, তৎকালীন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের এপিএস সত্যজিৎ মুখার্জীর সুপারিশ ও প্রভাবে এই দুই শিক্ষককে ফরিদপুর মহাবিদ্যালয়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। তবে জাল নিবন্ধন সনদের ঘটনা প্রকাশ হওয়ার আগেই এপিএস সত্যজিৎ মুখার্জীর বিরুদ্ধে অভিযোগ পান খোদ মন্ত্রী। অভিযোগ পেয়েই তাকে চাকরিচ্যুত করেন এবং তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন।
কিন্তু কৌশলে সত্যজিৎ মুখার্জী আত্মগোপন করেন। এরপর বিদেশে পালিয়ে যান।