প্রযুক্তি ডেস্ক : বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বা আঙুলের ছাপের মাধ্যমে সিম নিবন্ধন ও পুনঃ নিবন্ধনের জন্য বাংলালিংক গ্রাহকের আঙুলের ছাপ সংস্করণ করছে না। কেবল মাত্র সরকার ঘোষিত বায়োমেট্রিক সিম রেজিস্ট্রেশনের কাজে আঙুলের ছাপ ব্যবহৃত হচ্ছে। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান, বাংলালিংকের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শিহাব আহমাদ বলেন।
তিনি বলেন, ‘বাংলালিংক বায়োমেট্রিক সিম ভেরিফিকেশনে কোন গ্রাহকের আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ করছে না, গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষায় আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বায়োমেট্রিক সিম রেজিস্ট্রেশনে গ্রাহকের তথ্য সংগ্রহে ব্যবহৃত কোন যন্ত্র বা এই কাজে সংশ্লিষ্ট কোন খুচরা বিক্রেতা কোন গ্রাহকের তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে না।
শিহাব আহমাদ বলেন আরও বলেন, ‘গ্রাহকের তথ্য খুচরা বিক্রেতাদের ডিভাইসে দেওয়ার পর তা আভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয়পত্র সার্ভারে চলে যায়। রেগুলেটর ও সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা হয়।’
ফিঙারপ্রিন্ট ভেরিফিকেশনের নামে অপারেটর এবং রিটেইলার পর্যায়ে গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করছে সম্প্রতি এমন বিতর্ক উঠলে বাংলালিংক নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রেরণ করে।
শিহাব আহমাদ জানান, বাংলালিংক ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন চালু করার পর থেকে এখন পর্যন্ত বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন এক কোটিরও বেশি ছাড়িয়েছে, যা আমাদের গ্রাহক সংখ্যার প্রায় ৩৫%।
বাংলালিংক বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত বিটিআরসি’র সকল নির্দেশনা সবসময় মেনে চলছে বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

