যশোর প্রতিনিধি : ‘ভুয়া’ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অভিযুক্ত যশোরের আমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের নির্দেশে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তদন্তের সময় তিনি (অভিযুক্ত) প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট, ভারতীয় তালিকা এবং লাল মুক্তিবার্ত/সবুজ মুক্তিবার্ত দেখাতে পারেননি।
এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল আরিফ ২৯ ফেব্রুয়ারি মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় বরাবর প্রেরণ করেছেন।
সূত্র মতে, যশোর শহরের আফজাল হোসেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ করে জানান, সদর উপজেলার হালসা গ্রামের আহাদ আলীর ছেলে আমিনুর রহমান জাল জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধার সনদ গ্রহণ করেন। এই সনদ গ্রহণ করে তিনি সরকারি কোষাগার থেকে নিয়মিত ভাতা ভোগ করে আসছেন। এতে সরকার প্রতি মাসে ৮ হাজার টাকা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে মন্ত্রী বিষয়টি তদন্ত করতে যশোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। নির্দেশ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযুক্ত আমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ০৫.৪৪.৪১০০.০৪৭.০১৮.০২.১৬-১৫৬ স্মারকে মন্ত্রণালয় বরাবর প্রতিবেদন দিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্তকালে অভিযুক্ত আমিনুর রহমান প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট, ভারতীয় তালিকা এবং লাল মুক্তিবার্ত/সবুজ মুক্তিবার্ত দেখাতে পারেননি। তাই এ বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আমিনুর রহমান তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে বারবার দাবি করে আসছেন। আর তার ইউনিয়ন দেয়াড়ার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবদুস সাত্তার জানিয়েছেন, আমিনুর রহমান ২০১২ সালে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

