ঢাকাThursday , 18 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কলড্রপের ক্ষতিপূরণের বিষয়ে জানতে চেয়েছে মন্ত্রণালয়

Link Copied!

simনিজস্ব প্রতিবেদক : মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পরও কলড্রপের ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে না গ্রাহক। মোবাইল অপারেটররা এখনো কলড্রপের বিষয়ে সঠিক উদ্যোগ নেয়নি বলে অভিযোগ তাদের। এর প্রেক্ষিতে নির্দেশনার বাস্তবায়নে গৃহিত পদক্ষেপের বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের কাছে জানতে চেয়ে চিঠি দিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়।

চলতি সপ্তাহে এ চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে। ৯ জানুয়ারি এক নির্দেশনায় প্রতি কল ড্রপে গ্রাহককে এক মিনিট কল ফেরত দিতে মোবাইল অপারেটরদের নির্দেশনা দেয় বিটিআরসি। এরপর প্রায় এক মাস হয়ে গেলেও অধিকাংশ অপারেটর এখনো নির্দেশনা অনুসারে ব্যবস্থা নেয়নি। বরং অপারেটরদের পক্ষ থেকে অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) কলড্রপ নিয়ে আলোচনার জন্য ২১ জানুয়ারি বিটিআরসিকে একটি পত্র দেয়।

তবে গত ২৮ জানুয়ারি সচিবালয়ের মোবাইল ফোন অপারেটর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক শেষে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানান, নির্দেশনা পাঠানোর পরই তা কার্যকর হয়েছে। কলড্রপ হলে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ক্ষতিপূরণের বিষয়ে গ্রাহককে এসএমএস করে জানাতে হবে।

এ সময় টেলিযোগাযোগ সচিব ফয়জুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘প্রতিদিন না হলেও প্রতি সপ্তাহে গ্রাহককে কলড্রপ ও ক্ষতিপূরণের বিষয়ে জানাতে হবে।’

তবে এসব নির্দেশনা কোনো প্রতিফলন গ্রাহকেরা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে । এর প্রেক্ষিতে বুধবার এক পত্রে মন্ত্রণালয় বিটিআরসির কাছে জানতে চেয়েছে, ‘অপারেটররা কি প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহককে কলড্রপের ক্ষতিপূরণ (মিনিট ফেরত) দিচ্ছে তা বিস্তারিত প্রতিবেদন আকারে মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে।’

একই চিঠিতে মোবাইল অপারেটরদের সেবার মান উন্নয়নে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তাও প্রতিবেদন আকারে বিটিআরসিকে পাঠাতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী শাহজাহান মাহমুদ বুধবার সন্ধ্যায় বলেন, ‘শুধু কলড্রপ নয়, মোবাইলের সব ধরনের সেবার গুণগত মান উন্নয়নে বিটিআরসি সব সময় চেষ্টা করে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো গ্রাহককে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়া। অপারেটররা যেনো এসব নির্দেশনা সঠিকভাবে পালন করে সেদিকে আমাদের নজর থাকবে।’

অ্যামটব মহাসচিব টি আই এম নুরুল কবির এ বিষয়ে সম্প্রতি বলেছিলেন, ‘কলড্রপের বিষয়ে অপারেটররা প্রতিমাসে বিটিআরসিতে প্রতিবেদন জমা দেয়।’।

২০১৪ সালে গ্রামীণফোনসহ কয়েকটি অপারেটর পরীক্ষামূলকভাবে কলড্রপে ক্ষতিপূরণ সেবাটি চালু করে। তবে পরে কোনো ঘোষণা ছাড়াই তা বন্ধ করে দেয়।

প্রতিবেশী দেশ ভারতে প্রতিটি কলড্রপের জন্য এক রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নিয়ম চালু করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থা (আইটিইউ) নির্ধারিত মান অনুযায়ী কলড্রপের হার ৩ শতাংশের কম হলে তাকে মানসম্পন্ন সেবা ধরে ধরা হয়। দেশের মোবাইল অপারেটরেদের দাবি তাদের কলড্রপের হার তিন শতাংশের অনেক কম।