রাজশাহী প্রতিনিধি : জেলার পবায় স্কুল শিক্ষার্থীকে হাত-পা বেঁধে পেটানোর দৃশ্য ধারণের ঘটনায় এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজিজুল হক নামে ওই আসামিকে শনিবার গভীর রাতে গ্রেপ্তার করলেও পুলিশ রোববার বেলা ১১টায় তা জানায়। গ্রেপ্তারকৃত আজিজুল হক ওই এলাকার আব্দুল বারি’র ছেলে।
এর আগে, শনিবার রাতে ১১ জনকে আসামি করে পবা থানায় মামলাটি দায়ের করেন নির্যাতনের শিকার জাহিদ হাসানের বাবা ইমরান। পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- পবা উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের কটা মুন্নির ছেলে নাসির, সমশের মোহরীর ছেলে পলাশ, মুন্নার ছেলে তুহিন, সান্দি মণ্ডল ও তার ছেলে অনিক, বেরাজের ছেলে রাজ্জাক, আমদি মণ্ডলের ছেলে সাগর, আজিজুলের ছেলে উজ্জ্বল, ফজর আলীর ছেলে মাসিম, ফরিদের ছেলে কমল, যে বাড়িতে নির্যাতন করা হয়েছে সেই বাড়ির মালিক ফজলুল বারি ও তার ছেলে রাকিব।
পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, থানায় মামলা হওয়ার পরে রাতেই পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালায়। ওই সময় আজিজুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে, তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি রাতে গোপন রাখা হয়েছিল অন্য আসামিদের ধরার জন্য।
উল্লেখ্য, চুরির অপবাদ দিয়ে উপজেলার বাগসারা গ্রামের ইমরানের ছেলে জাহিদ হাসানকে অমানুষিক নির্যাতন করে আসামিরা। শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত তারা জাহিদকে আটকে রেখে মারপিট করে। উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরদিন শনিবার নির্যাতনের এ ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়। আহত ওই শিক্ষার্থীকে পবা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। তবে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে নির্যাতকরা। এ নিয়ে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে স্থানীয়দের মাঝে।

