নোয়াখালী প্রতিনিধি : জেলার হাতিয়া ও সুবর্ণচর উপজেলার পৃথক স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৩৭টি দোকান পুড়ে ছাই ও দু’জন অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন। এতে অন্তত দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ৭টা ও বিকেল ৫টার দিকে এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আহতরা হচ্ছেন- সুবর্ণচর উপজেলার পূর্বচরবাটা গ্রামের বেলাল উদ্দিন ও হেলাল উদ্দিন।
স্থানীয় ও ক্ষতিগ্রস্ত সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৭টার দিকে হাতিয়া উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের চরকৈলাশ গ্রামের খাসেরহাট বাজারের ফকির আহম্মদ মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে তা সারা মার্কেটে ছড়িয়ে পড়লে মাত্র ১০মিনিটে ওষুধ, কাপড়, ইলেকট্রনিক, কম্পিউটার ও মোবাইল দোকানসহ ১৭টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ডা. মো.আব্দুল মন্নান ও মিলন উদ্দিন জানান, আগুনে ১৭টি দোকানের মূল্যবান মালামাল পুড়ে অন্তত এক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ফকির আহম্মদ মার্কেটের পরিচালক মো. ফকির আহম্মদ জানান, দোকানের পিছন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে কীভাবে হয়েছে তা তিনি বলতে পারছেনা।
হাতিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কেটের মালিক ফকির আহম্মদ থানায় একটি জিডি করেছেন।
অপরদিকে বিকেল ৫টার দিকে সুবর্ণচর উপজেলার পূর্বচরবাটা ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজারে ২০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে অন্তত ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে শান্তিরহাট বাজারের দক্ষিণ গলির বেলাল উদ্দিনের ওয়ার্কসপের একটি মোটরসাইকেল মেরামত করার সময় তেলের ট্যাংকিতে আগুন ধরে বিস্ফোরিত হয়। এতে দোকানে আগুন ধরে যায়। পরে আগুন আশপাশে ছড়িয়ে পড়লে কাপড়, মুদি, চা, ওষুধ ফার্মেসিসহ ২০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এসময় দোকানের মালিক বেলাল উদ্দিন ও হেলাল উদ্দিন অগ্নিদগ্ধ হন। আহতদের উদ্ধার করে চরজব্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. হারুন অর রশীদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

