ঢাকাFriday , 29 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নিখোঁজদের সন্ধান মেলেনি, উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত

Link Copied!

boatচাঁদপুর প্রতিনিধি : মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় এখনও কমপক্ষে ২০ যাত্রী নিখোঁজ থাকলেও উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেছে বিআইডব্লিউটিএ। ডুবে যাওয়ার ৫৩ ঘণ্টা পর ট্রলারটি সনাক্ত করতে পারলেও নিখোঁজ যাত্রীদের কোনো সন্ধান মেলেনি। এমনকি তাদের লাশও উদ্ধার করতে পারেনি প্রশাসন।
শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে বিআইডব্লিউটিএর সহকারী পরিচালক এস এম মাহ্ফুজ উল আলম সজল অভিযান শেষ হয়ে গেছে বলে নিশ্চিত করেন।
তবে হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম সরোয়ার কামাল জানান, উদ্ধার অভিযান চলছে। ইতোমধ্যে ট্রলারটির অবস্থান সনাক্ত করা হয়েছে।
এদিকে, নিখোঁজদের সন্ধানে স্বজনরা স্ব-উদ্যোগে নদীতে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। তাদের দাবি, ট্রলারটি যেন উদ্ধার করা হয়।
বিআইডব্লিউটিএর সহকারী পরিচালক এস এম মাহফুজ উল আলম সজল জানান, ট্রলার উদ্ধারে মালিককে ব্যবস্থা নিতে হবে। মালিক আবেদন করলে তারা বড় উদ্ধারকারী জাহাজ খবর দেবেন। আর এটি উদ্ধারে যদি মালিকপক্ষ কেনো ব্যবস্থা না নেয় তবে তাদের নৌ চ্যানেলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির দায়ে মামলা করা হবে।
শুক্রবার দুপুরে ট্রলারযোগে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, দুটি প্লাস্টিকের কন্টিনার দিয়ে ট্রলারটির অবস্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। অবশ্য বাস্তবে উদ্ধার তৎপরতা দেখা যায়নি। প্রকৃতপক্ষে ট্রলারটি উদ্ধারে স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রয়েছে দ্বিধাদ্বন্দ্বে। অন্তত নিখোঁজদের মৃহদেহ উদ্ধারে প্রচেষ্টা অব্যাহত ও সার্বিক সহযোগিতা করবেন বলে স্বজনদের আশ্বস্ত করছেন জনপ্রতিনিধিরা। কোনো মৃতদেহ ভেসে উঠে কী না সে ব্যাপারে নদীর তীরবর্তী প্রতিটি ফাঁড়ির ইনচার্জকে বলে রাখা হয়েছে।
এ ব্যাপারে হাইমচর উপজেলা চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমরা নিখোঁজদের সন্ধান পেতে কাজ করছি। নিখোঁজদের সন্ধান পেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
বিআইডব্লিউটিএ এবং চাঁদপুর নৌ পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানায়, ট্রলারটি উদ্ধারে প্রায় ৬০ কাজ করেছে চাঁদপুর নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, স্থানীয় পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ এবং ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নৌবাহিনীর একটি বিশেষ দল। ৫৩ ঘণ্টা পর ট্রলারের অবস্থান সনাক্ত করা গেলেও নিখোঁজদের ব্যাপারে কোনো তথ্য দিতে পারেনি উদ্ধারকারী দল।
এদিকে, নিখোঁজদের স্বজনরা স্ব-উদ্যোগে নদীতে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। তাদের দাবি, অন্তত ট্রলারটি যদি উদ্ধার হয় তাহলে তার স্বজনদের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারবেন। মৃতদেহ না পাওয়া পর্যন্ত তাদের চেষ্টা অব্যাহত রাখবেন বলেও জানান স্বজনরা।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালে চাঁদপুরের হাইমচরের তেলির মোড় থেকে ঈশানবালা চরের উদ্দেশ্যে যাওয়া সময় মেঘনা নদীর মাঝের চরে তেলবাহী ট্যাংকারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ৬০-৭০ জন যাত্রী নিয়ে ডুবে যায় এমভি রবিন নামে একটি ট্রলার। এ সময় স্থানীয় জেলেরা বেশ কয়েকজন যাত্রীকে তীরে তুলতে পারলেও এখন কমপক্ষে ২০ জন নিখোঁজ রয়েছেন।