ঢাকাWednesday , 27 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার, তুলে নিয়ে হত্যার অভিযোগ

Link Copied!

Chuadangaচুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : জেলার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়নের দেহাটি কাটাখালি ব্রিজ এলাকা থেকে রবিউল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এদিকে, মঙ্গলবার রাতে সাদা পোশাকে হাতকড়া পরিয়ে ৪/৫ জনের একটি দল নিজ গ্রাম থেকে রবিউলকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বুধবার সকাল ৯টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত রবিউল ইসলাম আলমডাঙ্গা উপজেলার চিৎলা ইউনিয়নের ভালাইপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রাতে জেলার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়নের দেহাটি কাটাখালি ব্রিজের কাছের রাস্তার পাশে রবিউলকে কে বা কারা গুলি করে হত্যা করে। সকাল ৯টার দিকে কৃষকরা মাঠে যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে জীবননগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
জীবননগর থানার ওসি হুমায়ূন কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি।
মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার ভালাইপুর বাজার থেকে সাদা পোশাকে ৪/৫ জন রবিউলকে হাতকড়া পরিয়ে চোখ বেঁধে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী। তাকে পুলিশ নাকি অন্য কেউ তুলে নিয়ে গিয়েছিল তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
চুয়াডাঙ্গা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ইউনুস আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, রবিউল নামে কাউকে আমরা আটক বা গ্রেপ্তার করিনি। চুয়াডাঙ্গা ও জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অভিন্ন কথা বলেছেন। তবে আলমডাঙ্গা থানার ওসি শেখ আতিয়ার রহমান সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যস্ত আছি বলে ফোন কেটে দেন।
এদিকে, নিহত রবিউলের নিজ এলাকা আলমডাঙ্গা উপজেলার চিৎলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান জানান, এক সময় নিষিদ্ধ সংগঠনের হয়ে কাজ করতো রবিউল। একটি মামলায় প্রায় ৭ বছর কারাবাস শেষে বছর খানেক আগে মুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করে আসছিলেন।
এদিকে, মঙ্গলবার রাতে ভালাইপুরের যে বাড়ির সামনে থেকে রবিউল ইসলামকে সাদা পোশাকধারীরা হাতকড়া পরিয়ে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় বলে ওই বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী একই গ্রামের মজিবুল ইসলাম জানান, মাইক্রোবাস থেকে ৪/৫ জন নেমে মিনিটখানেক সময় রবিউলের সঙ্গে কথা বলে। এরপর তাকে চোখ বেঁধে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।
শেষ খবর অনুযায়ি চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা জীবননগর দেহাটি পৌঁছেছেন। রবিউলের মরদেহ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।