ভোলা প্রতিনিধি : শীতপ্রধান অঞ্চল থেকে আসা অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর এখন ভোলার উপকূলীয় চরাঞ্চলগুলো। কিন্তু ফাঁদ ও বিষটোপ দিয়ে নির্বিচারে এসব পাখি নিধন করছে শিকারিরা।
আবার বিষাক্ত মাংস বিক্রি করা হচ্ছে বিভিন্ন হোটেল ও রেস্তোরাঁয়। এতে পাখির সংখ্যা কমার পাশাপাশি হুমকিতে পড়ছে মানবস্বাস্থ্য। তবে পাখি নিধন বন্ধে পুলিশ ও কোস্টগার্ডসহ বনকর্মীরা টহল শুরু করেছে বলে জানান বন বিভাগের কর্মকর্তারা।
এ যেন পাখির রাজ্য। হাজার হাজার পাখি কখনো ডানা মেলে উড়ছে, আবার কখনো ভেসে বেড়াচ্ছে মনের আনন্দে। ভোলার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের কোলঘেঁষা অন্তত ৫০০ ডুবোচর এখন মুখরিত অতিথি পাখির কলকাকলিতে।
কিন্তু সাইবেরিয়াসহ শীতপ্রধান অঞ্চল থেকে জীবন বাঁচাতে আশ্রয়ের খোঁজে আসা এসব পাখি এ দেশেও নিরাপদ নয়। অসাধু শিকারিরা কারেন্ট জালের ফাঁদ আর বিষটোপ দিয়ে প্রতিদিন পাখি নিধন করছে। এতে দিন দিন অতিথি পাখির সংখ্যা যেমন কমছে, তেমনি হুমকিতে পড়ছে পরিবেশ।
এদিকে, বিষক্রিয়ায় মরে যাওয়া এসব পাখির মাংস গোপনে বিক্রি হচ্ছে স্থানীয় খাবার হোটেলগুলোতে। আর এ মাংস খেলে মানবদেহের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানালেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. প্রদীপ কুমার কর্মকার।
তবে অতিথি পাখি নিধন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. ফরিদ মিয়া। বার্ড ক্লাবের তথ্য অনুযায়ী, ভোলায় এ বছর ২৮ প্রকার জলচর পাখিসহ ৬০ প্রজাতির অতিথি পাখি এসেছে।

