ঢাকাTuesday , 19 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এবার শান্ত পরিবেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

Link Copied!

Brahmanbariaব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাঙচুরসহ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে কোটি কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগত সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপরে বিএনপির সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আবারো উত্তপ্ত হয় শহর। তবে দফায় দফায় এসব ঘটনা ঘটলেও বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই সরকারি বেসরকারি অফিস, ব্যাংক বীমা অফিসসহ সকল অফিসগুলো চালু রয়েছে। শহরে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
প্রসঙ্গত গতকাল সোমবার পুলিশের বাধায় নির্ধারিত স্থানে সংবাদ সম্মেলন করতে পারেনি বিএনপি। এ কারণে  মুহূর্তের মধ্যে পুরো জেলা শহর অস্থির হয়ে উঠে। থমথমে ভাব বিরাজ করায় জনমনে আতঙ্ক সৃষ্ঠি হয়। এ সময় নাশকতা রোধে বিপুল পরিমাণ পুলিশের পাশাপাশি ৪ প্লাটুন বিজিবি ও এক প্লাটুন র‌্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়।
এদিকে গত ১১ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ মার্কেটের একটি দোকানের সামনে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই কান্দিপাড়া জামেয়া ইসলামিয়া ইউনুসিয়া মাদরাসা ছাত্রদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বিরোধ হয়। এরপর তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে জড়িয়ে পড়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। শুরু হয় ত্রিমুখী সংঘর্ষ। আর এসময় গুরুতর আহত হয় মাদরাসা ছাত্র হাফেজ মাসুদুর রহমান।
পরদিন মঙ্গলবার হাসপাতালে মৃত্যু হয় আহত ছাত্রের। সকালে এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে শুরু হয় ব্যাপক সহিংসতা। দিনভর সংঘর্ষের পরে বিকেলে হাসপাতাল থেকে লাশ নিয়ে ফেরার পথে আবারো সহিংস হয়ে ওঠে ছাত্ররা। আরেক দফা তাণ্ডব চলে শহরে।
তবে সহিংসতা আর তাণ্ডবের আগুনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে শাস্ত্রীয় সংগীতের পুরোধা ব্যক্তিত্ব ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর স্মৃতিচিহ্ন।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানায়, বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা শক্ত অবস্থান ও জেলা শহরের বিভিন্ন সড়কে টহলের কারণে কোনো সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। মঙ্গলবার সকাল থেকেই জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ সদস্যরা টহল দিচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার এমএ মাসুদ জানায়, যেকোনো সময় সহিংসতা এড়াতে জেলা শহরে ৪ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাব মোতায়েন আছে।