ঢাকাTuesday , 12 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল মাদরাসাছাত্রী

Link Copied!

Ballobiyeলক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : গ্রামের বাড়িতে বাল্যবিয়ের খবর ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়ে রামগঞ্জ শহরের একটি ফ্লাটে বিয়ের আয়োজন করে। শেষ পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ের অভিশাপ থেকে মুক্তি পায় সালমা আক্তার (১৪) নামে এক মাদরাসাছাত্রী।
গোপন সংবাদে রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবু ইউসুফ পুলিশ নিয়ে তাৎক্ষণিক উপস্থিত হন ওই বিয়েবাড়িতে। বন্ধ করে দেন বাল্যবিয়ের অনুষ্ঠান। এ সময় কনে ও বরের আত্মীয়-স্বজনসহ ৫ জনকে আটক করলেও পরে তাদের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া হয়।
সোমবার রাত ১১টার দিকে রামগঞ্জ শহরের দক্ষিণ বাজারের পাশে মনোয়ারা ভিলায় (দ্বিতীয় তলায়) ঘটেছে। সালামা আক্তার উপজেলার ৭নং দরবেশপুর ইউনিয়নের মাঝিরগাঁও গ্রামের আশ্রাফ আলী মিঝি বাড়ির আনোয়ার উল্যার মেয়ে এবং কাশিমনগর মাদরাসার ৯ম শ্রেণির ছাত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৯ম শ্রেণির মাদরাসায় পড়ুয়া ছাত্রী সালমা আক্তারের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী লামচর ইউনিয়নের দাসপাড়া গ্রামের অভিয়ার বাড়ির সুলতান আহম্মদের ছেলে মাসুদ আলমের বিয়ের দিন তারিখ সোমবার ঠিক হয়। কিন্তু ওই এলাকার সচেতন লোকজন সালমার বাবাকে মেয়ের বাল্যবিবাহ না দিতে চাপ প্রয়োগ করলে তিনি অতি গোপনে বর ও কনের পরিবার রামগঞ্জ শহরস্থ মনোয়ারা ভিলাতে রাতেই বিয়ের আয়োজন করেন।
পরে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা থানা পুলিশ নিয়ে অভিযান চালায় ওই ভিলায়। এতে বাল্যবিয়ের অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় কনে সালমা আক্তার (১৪), কনের ভাই মো. মনির হোসেন, কনের ফুফু, বরের বড় ভাই মো. মোমিন, ভাতিজা মো. রিয়াদ হোসেন রিন্টুসহ ৫ জনকে আটক করে রামগঞ্জ উপজেলা পরিষদে নিয়ে আসেন। পরে রাতেই ১৯২৯ সালের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের ৬ ধারা মোতাবেক বরপক্ষের ২ হাজার ও কনের পক্ষের ৩ হাজার টাকা জরিমানা ও কনে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না বলে অঙ্গীকার নামা নিয়ে আটককৃতদের ছেড়ে দেয়া হয়।
রামগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবু ইউসুফ বলেন, ‘খবর পেয়েই ঘটস্থলে পৌঁছে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আটককৃতদের ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বাল্যবিয়ের ব্যাপারে কোনো আপোষ নেই। ভবিষ্যতে এই আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আরো কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’