ঢাকাTuesday , 5 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পদ্মাসেতুতে ব্যয় বেড়েছে ৮ হাজার কোটি টাকা

Link Copied!

padma-bridgeনিজস্ব প্রতিবেদক : বহুল আলোচিত পদ্মাসেতু প্রকল্পে দ্বিতীয়বারের মত ব্যয় বৃদ্ধি করেছে সরকার। পদ্মাসেতুর নির্মাণ ব্যয় ৮ হাজার ২৮৫ কোটি ১ লাখ কোটি টাকা বৃদ্ধি করে প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধনী অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক)।
মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেকের বৈঠকে ‘পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পসহ ১০ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘একনেক বৈঠকে  ৩৩ হাজার ১৮৫ কোটি ৩০লাখ টাকা ব্যয়ে ৬ টি নতুন ও ৪টি সংশোধিত প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে সরকারি অর্থায়ন ৩০ হাজার ২৯২ কোটি ৫৪ লাখ, সংস্থার নিজস্ব তহবিল ২২ কোটি ৩২ লাখ এবং প্রকল্প সাহায্য ২ হাজার ৮৭০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।’
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আমাদের স্বপ্নের প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধি করে দ্বিতীয়বার সংশোধনী অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে পদ্মাসেতু প্রকল্পের ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ২৮৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা। এই ব্যয় বেশি না কম এটা একদিন মূল্যায়ন করা হবে। এটা অত্যাধুনিক একটি প্রকল্প। এ প্রকল্পের মাধ্যমে আমাদের জিডিপি বৃদ্ধি হবে। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের স্বপ্ন পুরণ হবে।’
ব্যয় বৃদ্ধি কারণ জানিয়ে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘এ ধরনের প্রকল্প আগে আমরা কখনও করিনি। বিশ্বব্যাংকের থোক বরাদ্দের কারণে সে সময়ে কোনো রকমে একটি ‘এস্টিমেট’ করা হয়েছিলো। এখন অনেকগুলো কাজ বৃদ্ধি করা হয়েছে। দেড় কিলোমিটার নদী শাসনের কাজ বেড়ে গেছে। নদীর আয়তন ঠিক রেখে কাজের পরিধিও বৃদ্ধি করা হয়েছে।’
প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে পদ্মসেতু প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিলো ১০ হাজার ১৬১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ২০১১ সালে প্রথম সংশোধনীতে ব্যয় বৃদ্ধি করে ২০ হাজার ৫০৭ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়।
এবার দ্বিতীয় সংশোধনীতে ৮ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি করা হলো। প্রকল্পটি ২০১৮ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন করার কথা রয়েছে।
এদিকে বৈঠকে অনুমোদিত অন্যান্য প্রকল্পগুলো হলো- ‘স্কিলস এন্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট’ প্রকল্প। এ প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৭৮২ কোটি ১৩ লাখ টাকা।
১২৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে গোপালগঞ্জ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন’ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ‘বিলুপ্ত ছিটমহল সমুহের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প’ এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ১৮০ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।
অনুমোদন দেয়া হয়েছে ৫২ কোটি ২৫ লাখ টাকায় ‘বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ একাডেমির প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন ও জোরদারকরণ প্রকল্প, ৪৮ কোটি ২৭ লাখ টাকায় ‘জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি শক্তিশালী করণ’ প্রকল্প।
২৮২ কোটি ৮৩ লাখ টাকায় ‘বাগেরহাট জেলার পোল্ডার নং-৩৬/১ এর পুনবার্সন প্রকল্প বৈঠকে অনুমোদন পেয়েছে। এছাড়া ৮০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকায় ‘নিউ হরিপুর পাওয়ার প্লান্ট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লং টার্ম সার্ভিস এগ্রিমেন্ট অ্যান্ড আদার সাপোর্ট সার্ভিসেস ফর হরিপুর ৪১২ মেগা. কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্ট) প্রকল্প, ৭২ কোটি ২৬ লাখ টাকায় ‘বিটাকের কাযক্রম শক্তিশালী করার লক্ষে টেস্টিং সুবিধাসহ টুল ইনিস্টিটিউট স্থাপন প্রকল্প এবং ১ হাজার ৩৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে ভান্ডাল জুরি পানি সরবরাহ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন অর্থ পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম, পরিকল্পনা কমিশনের সচিব সফিকুল আজম প্রমুখ।