নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বেতন-বৈষম্য নিরসনে সংশ্লিষ্ট সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এক অনির্ধারিত আলোচনায় শিল্পমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এবং শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারদের বেতন-বৈষম্যের প্রসঙ্গটি তোলেন।
তখন তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বেতন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ক্ষোভ আছে। আমরা বেতন-বৈষম্য নিরসন সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটিতে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম তা কার্যকর হয়নি। বরং গেজেট অন্যভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ফলে এ ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। নতুন স্কেলে বেতন ডাবল করা হয়েছে, তা হলে তাদের ক্ষোভ থাকবে কেন?’
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তা হলে সচিবদের নিয়ে এখনই একটি বৈঠকে বসি। এর সমাধান করি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বেতন ডাবল দেয়ার পরেও ক্ষোভ থাকবে কেন? গেজেটে পার্থক্য হবে কেন সেটা দেখছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে সচিবদের তুলনা চলে না।’
এ প্রসঙ্গে প্রফেসর আনিসুজ্জামানের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তার সঙ্গে কি সচিবদের তুলনা চলে?’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু শিক্ষকরা সচিবদের সঙ্গে তুলনায় আসতে চান তা হলে তাদের চাকুরির বয়স ৬৫ থেকে ৫৯ করি? তারা বাইরে ক্লাস নেন, সেটা কি সচিবরা করতে পারেন? তা হলে এটা বন্ধ করে দিই?’

