নিজস্ব প্রতিবেদক : ইন্সটিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইডিইবি) নেতারা বলছেন, ৮ম জাতীয় বেতন স্কেলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের অমূল্যায়ন করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে বেতন বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে। আর এসবের প্রতিবাদে মাসব্যাপী আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।
ঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী, আগামী ৪ জানুয়ারি বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয়ভাবে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করা হবে ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেয়া হবে, ১১ থেকে ১৩ জানুয়ারি বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত সব জেলায় মানববন্ধন ও জেলা প্রকাশকদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেয়া হবে।
১৮ জানুয়ারি বিকেল ৫টা থেকে ৬টা পর্যন্ত সারাদেশে সংস্থার কর্মরত ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা ১ ঘণ্টা অতিরিক্ত কাজ করবেন। ২০ জানুয়ারি থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কাছে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা পত্র মিছিল করবেন।
শনিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আইডিইবি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এসব কর্মসূচী ঘোষণা দেন।
এরপরও দাবি পূরণ না হলে পরবর্তীতে সারা দেশের ৪ লাখ পেশাজীবী ডিপ্লোমা প্রকৌশলীর সঙ্গে আলোচনা করে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচী ঘোষণা দেয়া বলে সরকারকে হুঁশিয়ার করেন আইডিউবির নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের দ্বিতীয় দফার কর্মসূচি ঘোষণার যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয়। সরকারের কাছে ৬ দফা দাবিও তুলে ধরা হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।
দাবিগুলো হচ্ছে- ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের প্রারম্ভিক বেতন ক্যাডার এন্ট্রি পদের একধাপ নিচে অর্থাৎ ৯ম গ্রেড নির্ধারণ করতে হবে, বেতন বৈষম্য হ্রাসে ক্যাডার এন্ট্রি পদ একই গ্রেডে নির্ধারণ করতে হবে, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার উপ-সহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদে কর্মরতদের ৪ বছর চাকরিপূর্তিতে ৮ম গ্রেড, ৮ বছর চাকরি পূর্তিতে ৭ম গ্রেড, ১২ বছর পূর্তিতে ৬ষ্ঠ গ্রেড ও ১৫ বছর পূর্তিতে ৫ম গ্রেড স্কেল প্রদান এবং একইভাবে ১০ থেকে ২০তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীদের গ্রেড পরিবর্তনের সুযোগ রাখতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আইডিইবির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. শামসুল রহমান। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সংগঠনের সভাপতি এ কে এম এ হালিম। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সহ-সভাপতি এ কে এম আব্দুল মোতালেব, জাফর আহমেদ সাদেক, কে এম আমিনুল ইসলাম, অজয় কুমার সরকার প্রমুখ।

