ঢাকাThursday , 31 December 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কয়লায় সয়লাব বড়পুকুরিয়া

Link Copied!

collদিনাজপুর প্রতিনিধি : জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে মাত্র এক মাসের মধ্যে প্রতি টন কয়লার মূল্য দু’দফা কমানোর পরেও ক্রেতা মিলছে না। এতে খনি চত্বরে কয়লার বিপুল মজুদ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন খনি কর্তৃপক্ষ।
গত ইটভাটা মৌসুমে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে কয়লার চাহিদা বেশি থাকায় বড়পুকুরিয়ার প্রতি টন কয়লা বিক্রি হয়েছে ১৩ হাজার ৬৮০ টাকায় এবং আমদানি করা নিম্নমানের (অধিক সালফারযুক্ত) প্রতিটন কয়লা বিক্রি হয়েছে ৮ থেকে ৯ হাজার টাকায়।
এ বছর ইটভাটা মৌসুমের শুরু থেকে বিদেশ হতে আমদানি করা কয়লার মূল্য কম থাকায় (প্রতি টন ৭ হাজার ৮শ টাকা) এর সাথে তাল মিলিয়ে বড়পুকুরিয়া খনি কর্তৃপক্ষ গত ২৯ নভেম্বর প্রতিটন কয়লার দাম ২ হাজার ৬৮০ টাকা কমিয়ে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ তা ১১ হাজার টাকা নির্ধারণ করে। এতেও গ্রাহকদের কাছ থেকে ভালো সাড়া না মেলায় গত ২৫ ডিসেম্বর কয়লার দাম আরেক দফা কমিয়ে ৯ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এনিয়ে দু’দফায় বড়পুকুরিয়ার কয়লার দাম টনপ্রতি সাড়ে ৪ হাজার টাকা কমানো হল।
কয়েকজন ইটভাটা মালিক জানান, প্রায় দু’মাস আগে ভাটায় ইটপোড়ানো শুরু হয়েছে। প্রতি মৌসুমের শুরুতেই ভাটা মালিকরা তাদের চাহিদা মতো কয়লা কিনে মজুদ করে রাখেন। এখন ইট পোড়ানোর মৌসুম প্রায় শেষের দিকে। মৌসুমের শুরুতে কয়লার দাম কমানো হলে প্রচুর কয়লা বিক্রি হতো।
কয়লা খনিতে কর্মরত শ্রমিকরা জানান, কোল ইয়ার্ডে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি কয়লা মজুদ থাকায় কয়লার স্তূপে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে প্রতিনিয়ত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে।
এদিকে, বড়পুকুরিয়া তাপবিদুৎ কেন্দ্রে প্রতিদিন দেড় থেকে দুই হাজার মেট্রিকটন কয়লা ব্যবহৃত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আমিনুজ্জামান বলেন, ‘বিদেশ থেকে আমদানি করা কয়লা অপেক্ষা বড়পুকুরিয়া খনির কয়লা অনেক উন্নত ও সালফারের পরিমাণ কম। সে কারণে এখানকার কয়লা উচ্চ মূল্যে বিক্রি হওয়ার কথা। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে কয়লাসহ সবধরনের জ্বালানির মূল্য কমে যাওয়ায় আমরাও কম দামে কয়লা বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।’
তিনি আরো জানান, বর্তমানে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি চত্বরে প্রায় আড়াই লাখ মেট্রিকটন কয়লা মজুদ রয়েছে। গত ২২ নভেম্বর খনির ১২০৮ নম্বর কোল ফেইসে কয়লার মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় খনির কয়লা উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। নতুন ১২০৫ নম্বর ফেইস উন্নয়ন শেষে আগামী বছর জানুয়ারি মাসের ২য় সপ্তাহ হতে পুনরায় কয়লা উত্তোলন শুরু হবে বলেও জানান তিনি।