ঢাকাSunday , 27 December 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিতর্ক ও ব্যর্থতার ঘেরাটোপে নির্বাচন কমিশন

Link Copied!

ECনিজস্ব প্রতিবেদক : আর ক’দিন পরই শেষ হচ্ছে ঘটনা-দুর্ঘটনার ২০১৫। এ বছরের পুরোটা সময় আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বছরের শুরুতে প্রশ্নবিদ্ধ হয় তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচন। শেষ সময়ে প্রথমবারের মতো দলীয়ভাবে পৌর নির্বাচনেও চ্যালেঞ্জের মুখে ইসি। এ ছাড়া বহুল কাঙ্ক্ষিত উন্নতমানের জাতীয় পরিচয়পত্র স্মার্টকার্ড বিতরণের আশ্বাস দিলেও তা পূরণে ব্যর্থ হয় ইসি।
সেইসঙ্গে ১৮ এর কম বয়সীদের তথ্য সংগ্রহ, ভোটারতালিকা হালনাগাদ, রোহিঙ্গা ভোটার, কয়েকটি উপ-নির্বাচন, লতিফ সিদ্দিকী বিতর্ক, এনআইডি সেবা নিতে ফি নির্ধারণ, এনআইডি অফিসে সাংবাদিক লাঞ্ছনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে নির্বাচন কমিশন ছিল প্রশ্নবিদ্ধ।
বছরের শুরুতেই প্রশ্নবিদ্ধ তিন সিটি নির্বাচন
দীর্ঘ ১২ বছর সীমানা জটিলতায় আটকে থাকার পর এ বছর নির্বাচন কমিশন ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আয়োজন করে। ২০১১ সালে ঢাকাকে উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে ভাগের পর প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২৮ এপ্রিল ঢাকার দুই সিটি ও চট্টগ্রাম সিটির ভোটগ্রহণ হয়। দীর্ঘদিন পর ঢাকার দুই সিটিতে নির্বাচন হলেও বিতর্ক এড়াতে পারেনি কমিশন।
সরকার দলীয়দের প্রভাব, আচরণবিধি লঙ্ঘন, জালভোট, ব্যালট বাক্স ছিনতাই, অস্বাভাবিক ভোট কাস্টিং, কেন্দ্র দখল, সংঘর্ষসহ সবকিছু মিলে প্রশ্নবিদ্ধ হয় এ নির্বাচন।
এমনকি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে বিএনপিসহ কয়েকটি দল নির্বাচন বর্জন করে। ৫ জানুয়ারির পর আরেকবার মানুষ নির্বাচনে নিজের ভোট দানের ক্ষমতা হারায়। সেইসঙ্গে নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা কমে আসছে বলে অভিযোগ করে নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা। নির্দলীয় নির্বাচন হলেও তিন সিটিতেই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জয়লাভ করে।
এ ছাড়া এ নির্বাচনে ইসি সবচেয়ে সমালোচিত হয় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়ে। সেনাবাহিনীকে ক্যান্টনমেন্টে অবস্থান করে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করার নির্দেশ দেয়ায় ইসিকে সমালোচনার মুখে পড়েন।
স্মার্টকার্ড বিতরণের আশ্বাস, ব্যর্থ ইসি
২০১৫ সালে বারবার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও বহুল প্রতীক্ষিত উন্নতমানের জাতীয় পরিচয়পত্র স্মার্টকার্ড নাগরিকের হাতে দিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে উন্নতমানের এ কার্ডটি বিতরণ করা হবে বলে কথা দেয় ইসি। কিন্তু বছর শেষেও স্মার্টকার্ড নাগরিকের হাতে তুলে দিতে ব্যর্থ হয় ইসি।
বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের সহায়তায় আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর ইনহ্যান্সিং একসেস টু সার্ভিসেস (আইডিইএ) স্মার্টকার্ড প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১১ সালের জুলাইয়ে। প্রকল্প ব্যয় ধরা হয় ১ হাজার ৩৭৯ কোটি ১৯ লাখ টাকা। ২০১৬ সালের জুনের মধ্যে এ প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা।
তবে নির্ধারিত সময়ে উৎপাদন ও বিতরণ কাজ সম্ভব নয় বলে এ বছরেই প্রকল্পটির দেড় বছর সময় বৃদ্ধি করা হয়। স্মার্টকার্ড বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে অসন্তোষ আছে বলে জানা যায়। সিইসিসহ কমিশনাররা নাগরিকদের মধ্যে নির্ধারিত সময়ে স্মার্টকার্ড দিতে না পারাকে কমিশনের ব্যর্থতা বলে উল্লেখ করেন।
এনআইডিতে সাংবাদিক নির্যাতন, উপসচিব প্রত্যাহার
১৯ আগস্ট জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ (এনআইডি) অফিসে জনসাধারণের ভোগান্তির চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে সাংবাদিক জিএম মোস্তাফিজুল আলম ও ক্যামেরাম্যান রিপু এনআইডি প্রকল্পের কর্মচারীদের হাতে লাঞ্ছনার শিকার হন। এ ঘটনার জের ধরে এনআইডির প্রকল্প পরিচালক উপসচিব আব্দুল বারীকে প্রত্যাহার করা হয়। এ ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন ইসি।
লতিফ সিদ্দিকী বিতর্ক
এ বছরের আরেকটি আলোচিত ঘটনা হলো সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর পদত্যাগ। ধর্ম ও হজ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় আওয়ামী লীগ তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে। পরে সংসদ সদস্য পদ থেকে বহিষ্কারের জন্য নির্বাচন কমিশনে চিঠি পাঠান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
এর জবাবে লতিফ সিদ্দিকী নিজেও ইসিতে চিঠি পাঠিয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। এমনকি তাকে দল থেকে বহিষ্কারের কোনো এখতিয়ার আওয়ামী লীগের নেই উল্লেখ করে কমিশনকে বহিষ্কারের বির্তকিত সিদ্ধান্ত না নেয়ার আহ্বান জানান। এরই প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও লতিফ সিদ্দিকীর বিষয়ে শুনানির সিদ্ধান্ত নেয় ইসি। শেষ মুহূর্তে শুনানিতে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন লতিফ সিদ্দিকী। ফলে বিষয়টি সংসদে যায়। সেখানে তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন।
আঠারোর কম বয়সীদের তথ্য সংগ্রহ
২০১৫ সালে দেশে প্রথমবারের মতো ১৮-এর কম বয়সী নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ শুরু করে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে তাদেরকে পর্যায়ক্রমে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এ কার্যক্রম নিয়ে প্রথমে নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব বিরাজ করলেও শেষে সবার ঐকমত্যে কার্যক্রম শুরু করে ইসি। ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের মাধ্যমে ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে ভোটারযোগ্য প্রায় ২৫ লাখ নাগরিকের তথ্য সংগ্রহ করে নির্বাচন কমিশন।
ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে হ-য-ব-র-ল
ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম নিয়ে প্রথমে চরম অব্যবস্থাপনার মধ্যে পড়ে নির্বাচন কমিশন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য সংগ্রহের ব্যর্থতা, তথ্য সংগ্রহকারীদের বাড়ি বাড়ি না যাওয়া, তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণের অভাব, প্রচারণার অভাব, প্রথমবারের মতো ১৮-এর কম বয়সী নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ, এসবে অব্যবস্থাপনা লক্ষ করা যায়। যদিও ইসি থেকে এর জন্য বৃষ্টি, বন্যা ও জনসাধারণের অসহযোগিতাকে দায়ী করা হয়। শেষ পর্যন্ত প্রায় ৬৫ লাখের মতো নাগরিকের তথ্য সংগ্রহ করে নিবন্ধন করে নির্বাচন কমিশন।
রোহিঙ্গা ঠেকাতে বদ্ধপরিকর ইসি
এ বছর নির্বাচন কমিশনের আলোচিত কর্মকাণ্ডের মধ্যে ছিল রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করার ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন। রোহিঙ্গা ঠেকাতে কয়েকটি মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন কার্যালয়, এনজিও সংস্থাকে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত বিশেষ এলাকার তথ্য চেয়ে চিঠি দেয় ইসি।
এ ছাড়া রোহিঙ্গা যাতে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে না পারে এ জন্য রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকার নির্বাচন কর্মকর্তাকে বিশেষ নির্দেশ দেয় ইসি।
কয়েকটি উপনির্বাচন ও টাঙ্গাইল-৪ উপনির্বাচন ‘নাটক’
২০১৫ সালে কয়েকটি আসনে উপনির্বাচনের আয়োজন করে ইসি। তবে উপনির্বাচনগুলোতে আ. লীগ প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ায় নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে ইসি।
সংসদ সদস্য প্রফেসর ডাক্তার মোহাম্মদ সিরাজুল আকবরের মৃত্যুতে মাগুরা-১ ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মহসিন আলীর মৃত্যুতে মৌলভীবাজার-৩ আসন দুটি শূন্য হয়। ফলে বছরের ৩০ মে ও ৮ ডিসেম্বর আসন দুটিতে উপনির্বাচনের দিন নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশন। মাগুরা-১ আসনে আ. লীগের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আব্দুল ওয়াহাব বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। মৌলভীবাজার-৩ আসনে মনোনয়ন বাছাইয়ে শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হয়। ফলে তাকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে ইসি।
সমালোচনা ছিল কালিহাতি টাঙ্গাইল-৪ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে। এ নির্বাচনে ঋণখেলাপির অভিযোগে কৃষক জনতা লীগের প্রার্থী আবদুল কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রিটার্নিং কর্মকর্তা। প্রার্থিতা ফেরত পেতে কাদের সিদ্দিকী ইসিতে আবেদন করে। তবে ইসিতে শুনানি করে তার প্রার্থিতা অবৈধ বলেও রায় দেয়। পরে তিনি উচ্চ আদালতে আপিল করলে আদালত থেকে তার মনোনয়ন গ্রহণ করার আদেশ দেয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে আদালতে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে ইসি। নির্বাচন কমিশন ও কাদের সিদ্দিকীর আইনি লড়াইয়ের মধ্যে টাঙ্গাইল-৪ আসনের উপনির্বাচন প্রক্রিয়া ২ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করে সুপ্রিম কোর্ট। এখন পর্যন্ত এই আসনটির নির্বাচনের কার্যক্রম বন্ধ আছে।
এনআইডি সেবায় ফি নির্ধারণ, ভোগান্তিতে নাগরিক
এ বছরে প্রথমবারের মতো জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন, নবায়ন ও হারানো কার্ড ওঠাতে ফি নির্ধারণ করে ইসি। ২৫ জুন এ সংক্রান্ত একটি গেজেট প্রকাশ করে ইসি। এর ফলে ১ সেপ্টেম্বর থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন ও হারানো কার্ড উত্তোলন করতে ফি নেয়া শুরু করে ইসি। এই সেবা নিতে নাগরিককে ১০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত গুণতে হচ্ছে।
তবে জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা নেয়ার  প্রথম দিকে এনআইডি উইংয়ের অব্যবস্থাপনায় ভোগান্তিতে পড়ে নাগরিকরা। এনআইডি উইং ও প্রকল্পের মধ্যে সমন্বয়হীনতা, ফি কার্যকরের বিষয়ে ব্যাপক প্রচারণা না করা, প্রয়োজনীয় ফরম না রাখা, ব্যবস্থাপনার ঘাটতি থাকায় সেবাগ্রহী নাগরিকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছিল। পরে নানা উদ্যোগের মাধ্যমে এ অব্যবস্থাপনা কমিয়ে আনে ইসি।
চ্যালেঞ্জের মুখে দলীয় প্রতীকে ‘পৌর নির্বাচন’
সরকারের তড়িঘড়ি করে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন সংশোধনের ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে  মেয়র পদে দলীয় ও কাউন্সিলর পদে নির্দলীয় পৌর নির্বাচন করছে ইসি। তবে এ নির্বাচন নিয়ে শুরু থেকে বিতর্কের মধ্যে রয়েছে কমিশন।
নির্বাচন আয়োজনের প্রথম দিকে চরম অব্যবস্থাপনা দেখা যায় নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমে। প্রশাসনের লোকদের নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ, ইসির সঙ্গে মাঠ কর্মকর্তাদের সমন্বয়হীনতা, প্রশাসনের অসহযোগিতা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একের এক অভিযোগ সব কিছু মিলে অনেকটা চ্যালেঞ্জের মুখে ইসি।
রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা অর্জনে ব্যর্থ ইসি
সিটি নির্বাচন, কয়েকটি উপনির্বাচন ও বছর শেষে পৌর নির্বাচনসহ কোনো নির্বাচনেই ক্ষমতাসীন আ.লীগ ছাড়া আর কোনো নিবন্ধিত দলের আস্থা অর্জন করতে পারেনি ইসি। সব কয়টি নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন তাদের নিরপেক্ষতা পরিচয় দিতে পারেনি বলে অভিযোগ করেছে রাজনৈতিক দলগুলো।
এমনকি বছরের শুরুতে অনুষ্ঠিত  ৩ সিটি নির্বাচন নির্দলীয় হওয়া সত্ত্বেও কয়েকটি দল বর্জন করে। এ ছাড়া  উপ-নির্বাচনগুলোতে ক্ষমতাসীন দল ছাড়া অন্য দলের প্রার্থীর বিভিন্ন অজুহাতে মনোনয়ন বাতিল ও আ.লীগ প্রার্থী জয়ী হওয়াতে দলগুলো ইসির নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে।
এত সমালোচনার পরও বিদায় হতে যাওয়া এ বছর নিয়ে সন্তোষ ইসির। ‘সবকিছু মিলিয়ে এ বছর নির্বাচন কমিশনের ভালো কেটেছে। হয়ত দু’একটি বিষয়ে মানুষের মনে প্রশ্ন থাকতে পারে। তবে প্রতিটি নির্বাচন ও উদ্যোগই আমরা সুষ্ঠু ও সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছি’, দাবি নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজের।