ঢাকাSaturday , 26 December 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রধানমন্ত্রীর কাছে গেলেন শিক্ষক প্রতিনিধিরা

Link Copied!

teacherনিজস্ব প্রতিবেদক : ছয়দফা দাবি এবং জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের দাবিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষকদের মহাসমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে রওনা দিয়েছিলেন শিক্ষকরা। এসমসয় পুলিশি বাধার মুখে বেশিদূর এগোতে পারেননি তারা। এরপর স্মারকলিপি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়েছেন পাঁচ শিক্ষক প্রতিনিধি।
এর আগে সকাল থেকেই মহাসমাবেশে যোগ দেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিক্ষকরা। সমাবেশে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ফেডারেশনের ব্যানারে আয়োজিত শিক্ষকদের মহাসমাবেশে বক্তব্য রাখছেন দেশের শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক ব্যক্তিরাসহ বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখছেন।
প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি জাহিদুর রহমান বিশ্বসের সভাপতিত্বে বেলা ১টায় শুরু হওয়া সমাবেশের মূলপর্বের শুরুর দিকেই বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবিদ এবং সাপ্তাহিক একতার সম্পাদক এএন রাশেদা, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এবং কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, শিক্ষক নেতা শাহজাহান আলম সাজু, মুক্তিযোদ্ধা সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি বীরমু্ক্তিযোদ্ধা ধরেন্দ্রনাথ মণ্ডল, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক জিলানী শুভসহ শিক্ষক নেতারা।
এএন রাশেদা তার বক্তব্যে বলেন, ‘যে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো সাম্যের ভিত্তিতে বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতনসহ সকল ক্ষেত্রে বৈষম্য বৃদ্ধি পেয়েছে, তাহলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থাকলো কই!’ তিনি বলেন, ‘এটা শুধু বেতন বৃদ্ধির আন্দোলন না এটা শিক্ষা রক্ষার আন্দোলন।’ অন্যান্য দেশের সাথে বাংলাদেশের শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য তুলে ধরেন তিনি।
এএন রাশেদা একমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘আমাদের যে দাবি ছিলো একমুখী শিক্ষার তা না মানার কারণে এখন বাংলাদেশেও মসজিদে বোমা হামলা হয়।’
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সময় বেতনের অনুপাত ছিলো ১ অনুপাত ৫ আর এখন তা হলো ১ অনুপাত ১১। বঙ্গবন্ধুর কথা মানা হচ্ছে বর্তমানে। গোড়া কেটে আগায় পানি ঢালা হচ্ছে বর্তমানে।’
অর্থমন্ত্রীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আপনি এরশাদের মন্ত্রী ছিলেন। শিক্ষকদের নানা ভাবে অপমান করেন আপনি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সাথে আপনার স্বপ্ন মিলে না। শিক্ষকদের অমর্যাদা করলে সংগ্রামের সূচনা হবে তার বিরুদ্ধে।’
এছাড়া শিক্ষকরা বলেন, ‘দেশে টাকার অভাব নাই, অভাব শুধু দৃষ্টিভঙ্গির। এটা পাল্টাতে হবে।’
প্রসঙ্গত, প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেলের কেবলই নিচের ধাপে নির্ধারণ করা। সরাসরি প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ বন্ধ করে সহকারী শিক্ষক পদ থেকে নিয়োগ দিয়ে যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে বিভাগীয় পরীক্ষার মাধ্যমে সর্বোচ্চ পদ পর্যন্ত শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নিতর সুযোগ প্রদান করা। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা পরিবর্তন করে মহিলা-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের জন্য ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ অনুযায়ী শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল ঘোষণা করা এবং সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত চালু করা। টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল করে দ্রুত পদোন্নতির ব্যবস্থা করা। নন-ভ্যাকেশনাল ডিপার্টম্যান্ট হিসেবে ঘোষণা করে প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য অর্জিত ছুটির বিধান প্রণয়ন করা। এই ছয়টি দাবি নিয়ে আন্দোলন চলছে।