
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিভিন্ন দাবিতে মানববন্ধন করে প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটি -পাঞ্জেরী
নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় বেতনস্কেলের মাধ্যমে সরকারি চাকুরিতে সৃষ্ট বৈষম্যমুলক সিদ্ধান্ত বাতিল এবং বিরাজমান বৈষম্য নিরসনের দাবিতে প্রকৌশলী, কৃষিবিদ, চিকিৎসক এবং ২৬টি ক্যাডার ও বিভিন্ন ফাংশনাল সার্ভিসের কর্মকর্তারা আজ সারাদেশে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত এক ঘন্টার মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। কেন্দ্রীয়ভাবে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটির স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ও বিএমএ’র সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান।
মানববন্ধনে জানানো হয় আগামীকাল ২৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে একত্রিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদানের জন্য যাত্রা করা হবে। আগামী ২৭ থেকে ৩০ ডিসেম্বর প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত একঘন্টার কর্মবিরতি পালন করা হবে। তবে আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে যে সকল কর্মকর্তা দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন, তারা এ কর্মসূচির বাইরে থাকবেন। ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে দাবি মানা না হলে লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তৃতা করেন প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটির স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য সচিব মো. ফিরোজ খান, স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ও বিএমএ’র মহাসচিব অধ্যাপক ডা: এম. ইকবাল আর্সলান, স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ও কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের মহাসচিব মো. মোবারক আলী ও স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য স.ম. গোলাম কিবরিয়া, আই.কে সেলিমুল্লাহ খন্দকার, বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. আ ম সেলিম রেজা, কৃষি ক্যাডার এসোসিয়েশনের মহাসচিব খায়রুল আলম প্রিন্স, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সহ-সভাপতি আতাউল মাহমুদ, বিসিএস সমন্বয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুমে রব্বানী প্রমুখ।
এ সময় বেতনস্কেলে সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল পুনর্বহাল করা, সরকারি প্রথম শ্রেণির চাকুরিতে যোগদানের ক্ষেত্রে ক্যাডার-ননক্যাডার বৈষম্যের সিদ্ধান্ত বাতিল, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিতের সিদ্ধান্ত বাতিল, ইউএনও-কে কর্তৃত্ব প্রদানমূলক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অফিস স্মারক বাতিল, আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসন, সকল ক্যাডার ও সার্ভিসে পদোন্নতির সমান সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে সুপারিরিউমারারি পদ সৃজন করা, নিজস্ব ক্যাডার ও ফাংশনাল সার্ভিস বহির্ভূত সকল ধরনের প্রেষণ বাতিল ও কৃত্য পেশাভিত্তিক প্রশাসন গড়ে তোলার দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য, প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটি ঘোষিত কর্মসূচির আওতায় ২০ ডিসেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত কালো ব্যাজ ধারণ কর্মসূচি চলছে। সচিবালয়সহ বিভিন্ন অধিদপ্তর, প্রতিটি উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় দপ্তরের কর্মকর্তারা কালো ব্যাজ ধারণ করে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

