ঢাকাTuesday , 22 December 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৮৪ আইনজীবীকে সুপ্রিমকোর্টের মূল্যায়ন

Link Copied!

HIGH+COURTনিজস্ব প্রতিবেদক : শিক্ষাজীবনের সব পরীক্ষার সনদ, বার কাউন্সিলের সনদ যাচাই-বাছাই শেষে হাইকোর্ট বিভাগের ৮৪ জন আইনজীবীকে সুপ্রিমকোর্টে আপিল বিভাগের বিভিন্ন স্তরে মূল্যায়ন করা হয়েছে।
এ সকল আইনজীবীদের হাইকোর্ট বিভাগে মামলা করার ফিরিস্তি ও তাদের পারফরমেন্স এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের সুপারিশের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়েছে।
এদের মধ্যে তারকা আইনজীবী (সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে) ৬ জনকে, আপিল বিভাগে মামলা ফাইল করার ক্ষমতাধর আইনজীবী (অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড) হিসেবে ১৩ জনকে ও আপিল বিভাগের যে কোনো ধরনের মামলা পরিচালনাকারী হিসেবে ৬৫ জনকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের বিচারপতিরা এ মূল্যায়ন করেছেন।
আপিল বিভাগের তালিকাভুক্ত সিনিয়র আইনজীবীরা হলেন : অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, ড. কাজী আখতার হামিদ, এস এম মনির, মো. নুরুল আমিন, আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন ও মো. মাহবুব আলী।
অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড হিসেবে তালিকাভুক্ত ১৩ আইনজীবী হলেন : মো. হেলাল আমিন, মো. ইয়াহিয়া, রঞ্জন মণ্ডল, সানকার কুমার সেন, মিনাল হোসেন, শিরিন সুলতানা, কবির উদ্দিন ভূইয়া, নুরজাহান বেগম, আব্দুল হাই ভূইয়া, বাহার উদ্দিন আল রাজী, মো. আলী আজম, কাজী মো. মাহমুদুল করিম ও মো. শাহ আলম সরকার।
আপিল বিভাগে মামলা পরিচালনার অনুমতিপ্রাপ্ত আইনজীবীরা হলেন : এ কে এম সাখাওয়াতুল হক, মো. হাসমত উল্লাহ শেখ, আরিফুল ইসলাম, সুরজিৎ ভট্টাচার্য, মোহাম্মদ হোসাইন, এ কে এম বদরুদ্দোজা, উম্মে কুলসুম বেগম, বিপুল বাগমার, এ কে এম ইনায়েত উল্লাহ চৌধুরী, হাসান মো. শাহ নেওয়াজ আজিম, জাকির হোসেন মজুমদার, তৈমুর আলম খন্দকার, মো. শাহজাদা, সৈয়দ মিজানুর রহমান, শেখ মো. জাকির হোসেন, আব্দুল মান্নান ভূইয়া, এম. রফিকুল ইসলাম মেহেদী, সালেহা ইসলাম, মতেন্দ্রা চন্দ্র চৌধুরী, মো. ইলিয়াস ভূইয়া, মো. মোস্তাক আহমেদ, গোলাম কিবরিয়া, কে এস সালাউদ্দিন আহমেদ, আব্দুল কাদের তালুকদার, কাজী জিনাত হক, মো. জাফর আলী, শাহ মোহাম্মদ ইজাজ রহমান, মো. জসিম উদ্দিন, মো. সামসুর রহমান, জয়া ভট্টাচার্য, রেজাউল ইসলাম, রাগিব রউফ চৌধুরী, অরবিন্দ কুমার রায়, গোলাম আব্বাস চৌধুরী, মো. আব্দুল মান্নান খান, মো. নওশাদ জামির, জেড আই খান পান্না, রবিউল আলম বুদু, মো. হুমায়ন কবির বুলবুল, এস এম আমিনুল ইসলাম সানু, আসিফ হাসান, সুলতান মাহমুদ কাজী রেহান নবী, মো. আমান উল্লাহ, মো. গোলাম মোস্তফা, রানা কাউসার, গাজী মোস্তাক আহমেদ, মো. মোতাহার হোসাইন, আলাউদ্দিন আহমেদ, মোহাম্মদ আলী, মো. ইসরাফিল, খান টিপু সুলতান, ইব্রাহিম মোল্লা, মো. শাহজাহান ওমর, এস এম মাসুদ হোসাইন দোলন, মো. ইউনুস আলী আকন্দ, মো. মাহবুব শফিক, শরিফ মো. নুর উল্লাহ ভূইয়া, জেসমিন সুলতানা, সফররাজ মিয়া, মো. সাখাওয়াত হোসাইন, মো. জাহাঙ্গীর কবির, শেখ রেজাউল হক, মো. আব্দুল ওয়াহাব দেওয়ান ও সেলিনা আক্তার চৌধুরী।
আপিল বিভাগের সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করার প্রক্রিয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বলেন, ‘যারা আপিল বিভাগের সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করার জন্য আবেদন করেন, তাদের আবেদনগুলো মাননীয় প্রধান বিচারপতি এবং আপিল বিভাগের সকল বিচারপতি মহোদয় দেখে পর্যালোচনা করেন। বিশেষ করে আইনজীবীদের মামলা পরিচালনার পারফরমেন্স লক্ষ করেন। এগুলো দেখে তিনি সকল বিচারপতির সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করার সিদ্ধান্ত দিয়ে দেন।’
আপিল বিভাগের তালিকাভুক্ত নবীন আইনজীবী ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী বলেন, ‘গত একবছর আগে আমি আপিল বিভাগের আইনজীবী হওয়ার জন্য আবেদন করেছিলাম। সে আবেদন মঞ্জুর হয়ে আমাকে আপিল বিভাগে প্র্যাকটিস করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। এখন আমি আপিল বিভাগে মামলা পরিচালনা করতে পারব।’
তিনি বলেন, ‘হাইকোর্ট বিভাগের একজন আইনজীবী যখন আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে আবেদন করবেন, তখন তার সকল বিষয় (মামলা পরিচালনা, পারফরমেন্স, মামলার সংখ্যা) ইত্যাদি বিবেচনা করে আপিল বিভাগে প্র্যাকটিস করার সিদ্ধান্ত দিতে সুপারিশ করবেন। তারপর প্রধান বিচারপতির নেতেৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এটি দেখে আপিল বিভাগে প্র্যাকটিস করার সিদ্ধান্ত দেবেন।’