নিজস্ব প্রতিবেদক : একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার বাগেরহাটের বন কর্মকর্তা মো. ইউসুফ আলী ওরফে একেএম ইউসুফ আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
রোববার এক আবেদনের প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে দুই সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন।
এ সময় আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ চেয়ে একটি আবেদন করেন প্রসিকিউটর হায়দার আলী। পরে ট্রাইব্যুনাল আসামিকে কারাগারে প্রেরণ ও এ মামলার অগ্রগতি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি দিন নির্ধারণের আদেশ দেন। এ সময় ট্রাইব্যুনালের আসামি ডকে ইউসুফ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, মো. ইউসুফ আলী জামালপুরের চাঁনপুর হরিণাকান্দা গ্রামের আব্দুল খালেক ওরফে খালেক মাস্টারের ছেলে। তিনি বাগেরহাটের শরণখোলা রেঞ্জের স্টেশন কর্মকর্তা।
ইউসুফ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় আলবদর বাহিনীতে যোগ দিয়ে ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছার সুবর্ণখিলা এলাকায় গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ ও নির্যাতন চালান বলে অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে গত ৯ ডিসেম্বর গভীর রাতে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের দুবলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
প্রাথমিক তদন্তে ‘অভিযোগের সত্যতা’ পাওয়ায় গত ১ এপ্রিল ইউসুফসহ জামালপুর ও ময়মনসিংহ জেলার আটজনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের এই মামলা করা হয়। ইউসুফের বড়ভাই এ বিএম ইউনুস আলীও (৬৫) একই মামলার আসামি। ট্রাইব্যুনাল এই আট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ৯ ডিসেম্বর।
পরোয়ানা জারির পর থেকেই ইউসুফ আত্মগোপনে ছিলেন। পরে র্যাবের সহায়তায় ওই দিন রাতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

