ঢাকাSunday , 13 December 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৪০% প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা মার্সেলের

Link Copied!

marcelঅর্থনীতি ডেস্ক : ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের ব্র্যান্ড মার্সেল আগামী বছর ৪০ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। শনিবার মার্সেলের ডিস্ট্রিবিউটর কনফারেন্সে এ কথা জানানো হয়।
‘লেট্স গো অ্যাহেড টুগেদার’ (চলো একসাথে এগিয়ে যাই) স্লোগানে গাজীপুরের চন্দ্রায় মার্সেলের কারখানা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী কনফারেন্সে সারা দেশ থেকে আসা ৩০০ ডিস্ট্রিবিউটর এতে অংশ নেন।
কনফারেন্স উদ্বোধন করেন আরবি গ্রুপের চেয়ারম্যান এসএম নুরুল আলম রেজভী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম শামসুল আলম। কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করেন আরবি গ্রুপের বিপণন বিভাগের প্রধান সমন্বক ইভা রিজওয়ানা।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গ্রুপের পরিচালক তাহমিনা আফরোজ, এইচআরএম বিভাগের নির্বাহী পরিচালক এসএম জাহিদ হাসান, পিআর অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের নির্বাহী পরিচালক হুমায়ুন কবীর, ফরেইন ট্রেড মনিটরিং বিভাগের নির্বাহী পরিচালক নজরুল ইসলাম সরকার, সোর্সিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের নির্বাহী পরিচালক আশরাফুল আম্বিয়া, মার্সেলের বিপণন বিভাগের দুই প্রধান মোশারফ হোসেন রাজীব এবং শামীম আল মামুন, মার্সেলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর চিত্রনায়ক আমিন খান প্রমুখ।
নুরুল আলম রেজভী বলেন, ‘মার্সেল যে গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই দেশের শীর্ষ ব্র্যান্ডে পরিণত হবে।’
শামসুল আলম বলেন, ‘দেশবাসীর কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে যে গুণে-মানে মার্সেল পণ্য অন্য সবার চেয়ে ভালো। অর্থ উপার্জন নয়, মার্সেলের লক্ষ্য ক্রেতাদের সেবা করা।’
তাহমিনা আফরোজ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে মার্সেলকে শীর্ষস্থানে নিয়ে যাওয়া। এজন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।’
ইভা রিজওয়ানা বলেন, ‘মার্সেল জনপ্রিয় একটি ব্র্যান্ডের নাম। বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে পাওয়া যাচ্ছে মার্সেলের ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল হোম অ্যাপ্লায়েন্সেস। মার্সেলের বাজার সম্প্রসারণে কাজ করছেন অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞ মার্কেটিং টিম। সেইসঙ্গে ডিস্ট্রিবিউটরগণও মার্সেলের বিক্রি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছেন।’
২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত প্রযুক্তিতে উচ্চ মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে অতি অল্প সময়ে জনপ্রিয় ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে মার্সেল। নিজস্ব কারখানায় উচ্চমানের পণ্য তৈরি ও বিক্রি করে মার্সেল। গ্রাহকদের সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে চালু রয়েছে আইএসও সনদপ্রাপ্ত সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় ৬০টি সার্ভিস পয়েন্ট। বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করতে নিয়োজিত রয়েছেন দেড় হাজারের বেশি প্রকৌশলী ও টেকনিশিয়ান।
বর্তমানে, মার্সেল ব্র্যান্ডের ৩০টি মডেলের ফ্রিজ ও ৪৫টি মডেলের এলইডিটিভিসহ অসংখ্য মডেল ও ডিজাইনের হোম ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্সেস পাওয়া যাচ্ছে। চলতি মাসেও ৩টি নতুন মডেলের রেফ্রিজারেটর বাজারে এনেছে মার্সেল। শিগগিরই আরো ৫-৬টি মডেলের ফ্রস্ট ও নো-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর বাজারে ছাড়া হবে বলে জানানো হয়।
সকালে কনফারেন্স শুরু হওয়ার আগে ডিস্ট্রিবিউটরগণ মার্সেল পণ্যের বিভিন্ন উৎপাদন ইউনিট ঘুরে দেখেন। এবারের কনফারেন্সে মার্সেল ব্র্যান্ডের পণ্য বিক্রিতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ২০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। সবশেষে ছিল মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।