ঢাকাWednesday , 9 December 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ শুরুর অপেক্ষায় যবিপ্রবি

Link Copied!

JUSTযশোর প্রতিনিধি : যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) উন্নয়নের বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী গত মঙ্গলবার প্রায় ২৮২ কোটি টাকার প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ায় এখন বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু হওয়ার অপেক্ষামাত্র। এই অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন যবিপ্রবি উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার।
সূত্র জানায়, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য ২৮১ কোটি ৮৯ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। ওই সভায় বিশেষ আমন্ত্রিত ছিলেন যবিপ্রবি উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার।
যবিপ্রবি উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এর আগে দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এককালীন এত উন্নয়ন বরাদ্দ দেয়া হয়নি। এ প্রকল্পের আওতায় ২৮১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ব্যয়ে যবিপ্রবি’র একাডেমিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
সূত্র জানিয়েছে, একনেকে অনুমোদিত এ প্রকল্পের আওতায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ১০ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন, ১০ তলা বিশিষ্ট ছাত্রাবাস, ১০ তলার ভিতের ওপর ৫ তলা বিশিষ্ট ছাত্রীনিবাস, ৬ তলা ভিতের ওপর দুই তলা বিশিষ্ট টিএসসি ভবন, তিনতলা ভিতের ওপর দুই তলাবিশিষ্ট স্কুলভবন ও শেখ রাসেল জিমনেসিয়াম নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি মেডিকেল সেন্টারের দুই তলা ভবনকে ৬ তলায়, ৫ তলাবিশিষ্ট বঙ্গবন্ধু একাডেমিক ভবনকে ৯ তলায়, তিনতলা বিশিষ্ট লাইব্রেরি ভবনকে ৬ তলায় উন্নীত করা হবে।
এছাড়া গবেষণাগারের জন্য ২০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি, ২০ কোটি টাকার আসবাবপত্র ক্রয় ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে রাস্তা, কালভার্ট নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে। সবমিলিয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে যশোর বিশ্ববিদ্যালয়ের চেহারাই পাল্টে যাবে। যবিপ্রবি’র জন্য বিশাল উন্নয়ন বরাদ্দ দেয়ায় এ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এ অঞ্চলের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতাও জ্ঞাপন করেছেন তারা।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ২৫ জানুয়ারি যবিপ্রবি’র একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ২০০৯ সালের ১০ জুন চারটি বিভাগে পাঠদানের মধ্যে দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে ৬টি অনুষদে ১৮টি বিভাগে বিএসসি, এমএসসি, পিএইচডি, বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ও এমএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ৩ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করছেন। সেশনজটমুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বমানের আধুনিক উচ্চতর শিক্ষা কার্যক্রম এবং প্রায়োগিক ও বাস্তবমুখী গবেষণাকর্ম সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এসব কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতি সরকারেরও সুদৃষ্টি রয়েছে।