ঢাকাTuesday , 8 December 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পৌর এলাকাসহ ১০টি প্রকল্পের অনুমোদন

Link Copied!

cabinetনিজস্ব প্রতিবেদক : পৌর এলাকায় রাজস্ব বা উন্নয়ন তালিকাভুক্ত প্রকল্প অনুমোদন স্থগিত রাখতে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চিঠি দেয়ার পরদিনই পৌর এলাকাসহ ১০টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেয়া হয়। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ৭ হাজার ২৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসির দেয়া চিঠির পরও প্রকল্পগুলোর অনুমোদন প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের বক্তব্য, একটি প্রকল্পও সুনির্দিষ্টভাবে পৌরসভা এলাকায় পড়েনি। প্রকল্পগুলো সব জাতীয় পর্যায়ের প্রকল্প। এ কারণে অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
বৈঠক শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের সামনে এ কথা বলেন।
মুস্তফা কামাল বলেন, আজকের একনেক বৈঠকে ৭ হাজার ২৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে সরকারি অর্থায়ন থাকবে ১ হাজার ৯১৮ কোটি ৬৫ লাখ, সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে যাবে ৬০২ কোটি ৬০ লাখ এবং প্রকল্প সাহায্যে ৪ হাজার ৭৫৫ কোটি ১১ লাখ টাকা পাওয়া যাবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘নির্বাচন একটি চলমান প্রকল্প। সারাবছরই নির্বাচন হয়। তাই বলে তো উন্নয়ন বন্ধ রাখা যাবে না। এই নির্বাচনের পরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হবে। সারাদেশে তো ইউনিয়ন পরিষদ আছে তাই বলে কি উন্নয়ন থেমে থাকবে? উন্নয়ন চলবে নির্বাচনও চলবে।’
অনুমোদিত প্রকল্পগুলো
• ইন্সটলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মরিং উইথ ডাবল পাইপ লাইন। সংশোধিত এ প্রকল্পটিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৯৩৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।
• পশ্চিমাঞ্চলীয় নতুন সঞ্চালন লাইন নির্মাণের জন্য পশ্চিমাঞ্চলীয় গ্রিড নেটওয়ার্ক প্রকল্প। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪২৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা।
• ১১৭ কোটি ৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘চট্টগ্রাম, মংলা, আইসিডি কমলাপুর এবং বেনাপোল কাস্টম হাউজের জন্য কন্টেইনার স্ক্যানার ক্রয়’ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
• ‘বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন সড়ক প্রশস্তকরণসহ উন্নয়ন এবং ব্রিজ কালভার্ট নির্মাণ’ প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।
বরিশালের ছয় পৌরসভায় আগামী ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হতে যাচ্ছে।
• বাকেরগঞ্জ-পাদ্রীশিবপুর-কাঁঠালতলি-সুবিদখালী ও বরগুনা সড়ক প্রশস্তকরণ ও মজবুতিকরণ প্রকল্প। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।
৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনগুলোর মধ্যে বরগুনা সদর পৌরসভা নির্বাচনও রয়েছে।
• পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় মিশ্র ফলচাষ প্রকল্প। প্রকল্পটিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৬ কোটি ৮১ টাকা।
পার্বত্য তিনটি জেলার ২৬টি উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। অধিকাংশ এলাকায় ৩০ ডিসেম্বর পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার কথা।
• সমন্বিত কৃষি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কুমিল্লা জেলার লালমাই-ময়নামতি পাহাড়ি এলাকার জনগণের জীবন-জীবিকার মানোন্নয়ন প্রকল্প। এর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৩ কোটি টাকা।
কুমিল্লা সদর জেলার দক্ষিণ, আদর্শ সদর ও বুড়িচং উপজেলার ৬৮টি গ্রাম জুড়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। কুমিল্লা জেলার চান্দিনা, লাকসাম, দাউদকান্দি, বরুড়া, চৌদ্দগ্রাম ও হোমনা পৌরসভায় নির্বাচন হতে যাচ্ছে।
• সমবায়ের মাধমে ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন প্রকল্প। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।
• যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প। এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২৮১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।
• এছাড়া ১৬২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ব্যয়ে স্কিলস ডেভলেপমেন্ট প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী- নির্বাচনপূর্ব সময়ে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে রাজস্ব বা উন্নয়ন তহবিলভুক্ত কোনো প্রকল্পের অনুমোদন, ঘোষণা বা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কিংবা ফলক উন্মোচন করা যাবে না। সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এসব প্রতিষ্ঠানের তহবিল থেকে কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানকে অনুদান, বরাদ্দ বা অর্থ ছাড় করতে পারবে না।