ঢাকাTuesday , 8 December 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আজ পটুয়াখালী মুক্ত দিবস

Link Copied!

Patuakhaliপটুয়াখালী প্রতিনিধি : ১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর এই দিনে হানাদার মুক্ত হয় পটুয়াখালী জেলা। হানাদারদের হাত থেকে দেশ মুক্ত হলেও দীর্ঘ ৪৪ বছরেও জেলার পুরাতন কারাগারের বন্দীদশা থেকে মুক্ত হতে পারেনি পটুয়াখালী জেলার সর্ববৃহৎ গণকবরটি। অপর দিকে অযত্ন আর অবহেলায় পরে রয়েছে জেলার বীর শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নাম সম্বলিত স্মৃতিস্তম্ভ। যা থেকেও মুছে যাচ্ছে অনেক শহীদদের নাম। আগামী প্রজন্মকে স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জানাতে ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধরে রাখতে এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেয়া দরকার বলে মনে করেন মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের মানুষরা।
১৯৭১ সালের ২৬ এপ্রিল থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেলার মুক্তিকামী সূর্যসন্তানরা প্রাণপণ যুদ্ধ করে মুক্ত করে পটুয়াখালী জেলাকে। সে সময় পটুয়াখালীতে শহীদ হন অগণিত মুক্তিযোদ্ধাসহ এ অঞ্চলের শান্তিপ্রিয় মানুষ। হনাদারদের হাতে আটক শত শত মানুষকে হত্যা করে সে সময় জেলা কারাগার ফটকের মধ্যেই সমাহিত করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ ৪৪ বছর অতিবাহিত হলেও পুরাতন কারাগার ও বর্তমানে আনসার ভিডিপি ক্যাম্পের প্রাচীরের মধ্য থেকে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উম্মুক্ত করা যায়নি জেলার সর্ববৃহৎ গণকবরটি। আর এ কারণে বছরে দু একবার ছাড়া শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারছেন না জেলার মুক্তিকামী মানুষরা।
পুরাতন কারাগারের সামনে ঘুরতে থাকা পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র রাতুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা শুনেছি জেলার এই পুরাতন কারাগারের দেয়ালের মধ্যে আছে বীর শহীদদের গণকবরটি। বছরের বিশেষ কিছু দিনে এই পুরাতন কারাগারের মধ্যে ঢুকতে দেয়। কিন্তু অন্য সময়ে ঢুকতে চাইলে অনুমতি পাওয়া যায়না। তবে সারা বছর গণকবরটি দেখার অনুমতি থাকলে ভালো হতো।’
এদিকে শহরের পিডিএস মাঠ ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি সংলগ্ন শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা সম্বলিত একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হলেও তা আছে অযত্ন আর অবহেলায়। কোনো ধরনের তত্ত্বাবধান না করায় অযত্ন অবহেলায় অনেক শহীদদের নামই এখন অস্পস্ট। এ ছাড়া স্মৃতিস্তম্ভের সৌন্দার্যবর্ধনের জন্য লাগানো গ্রিল চুরি হয়ে গেছে। আর রাত হলেই এখানে বসছে বখাটেদের আড্ডা।
জেলার সর্ববৃহৎ গণকবরটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উম্মুক্ত করা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামের স্মৃতিস্তম্ভ সংস্কারের মাধ্যমে জেলার ইতিহাস জানতে তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে উদ্যোগ নিবে সরকার এমনটাই প্রত্যাশা সবার।