ঢাকাMonday , 7 December 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রতীক নিয়ে বিপত্তি, দলীয়-স্বতন্ত্র মহাবৈষম্য!

Link Copied!

electionনিজস্ব প্রতিবেদক : নির্বাচনী আইন অনুসারে, ভোট গ্রহণের ২১ দিন আগে থেকে প্রার্থীরা প্রচারণা চালাতে পারবেন। অর্থাৎ প্রতীক  বরাদ্দ পাওয়ার আগেই প্রচারণার মাঠে নামার অনুমতি আছে। সে হিসেবে আসন্ন পৌর নির্বাচনের প্রার্থীরা আগামী ৯ ডিসেম্বর বুধবার থেকে প্রচারণা চালাতে পারবেন।
কিন্তু এবার দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন হওয়ায় দল সমর্থিত মেয়র প্রার্থীরা কার্যত বেশি সুবিধা পাচ্ছেন। কারণ তারা দলের প্রতীক পাবেন সুতরাং আলাদা করে প্রতীক বরাদ্দের কিছু নেই। ফলে মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই  প্রতীক নিয়ে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রচারণার মাঠে নেমেছেন তারা। উল্টো দিকে একপ্রকার হাত গুটিয়ে বসে থাকতে হচ্ছে স্বতন্ত্র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের।
শুধু তা-ই নয়, আইন মেনে দলীয় প্রার্থীরা ৯ ডিসেম্বর থেকে প্রতীক নিয়ে প্রকাশ্যে প্রচারণা চালাতে পারলেও স্বতন্ত্র ও কাউন্সিলরদের খালি হাতে যেতে হবে ভোটারদের কাছে। স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ও কাউন্সিলররা প্রতীক পাবেন ১৪ ডিসেম্বর। এ সময় পর্যন্ত তাদের অপেক্ষা করতেই হবে।
তবে এতে স্বতন্ত্র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের ‘বিরাট ক্ষতি’ হবে না বলে দাবি করছেন নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ।
সোমবার দুপুরে নির্বাচন কমিশনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
কেউ প্রতীক নিয়ে আবার কেউ প্রতীক ছাড়া প্রচারণা চালালে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের ভোটাররা অনেক সজাগ। তারা ব্যক্তিকে ভোট দেবেন। পৌর নির্বাচন ব্যাপক এলাকা নিয়ে হয় না। এলাকায় প্রার্থীদের পরিচিতি থাকে। তাই প্রতীক ছাড়া খুব একটা সমস্যা হবে বলে মনে হয় না।’
অবশ্য প্রতীক যে প্রার্থীদের বাড়তি সুবিধা দেবে, সে কথা অস্বীকার করেননি তিনি। তার মন্তব্য, ‘এতে বিরাট ক্ষতি হবে না।’
প্রতীক নিয়ে আইনগত দিকের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রার্থীরা ৯ ডিসেম্বর থেকে প্রচারণা চালাতে পারবেন। নির্বাচনবিধি যাতে ভঙ্গ না হয় এটা আমরা দেখব।’
আওয়ামী লীগ এক পৌরসভায় একাধিক প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দিয়েছে এমন অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে এক পৌরসভায় একাধিক মনোনয়নপত্র জমার অভিযোগ আসেনি। আইনে আছে এক পৌরসভায় কেউ একাধিক মনোনয়ন দিলে যে দলেরই হোক না কেন সেই দলের সব মনোনয়ন বাতিল হয়ে যাবে। মনোনয়নপত্র রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা আছে। যদি কেউ এটা করে থাকে তাহলে মনোনয়ন বাতিল হবে।’
ইসির বাইরের কর্মকর্তাদের রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেয়ার ব্যাপারে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘এবারই প্রথম জনবল সংকটের কারণে নির্বাচন কমিশনের বাইরে ৬১ জন কর্মকর্তাকে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিতে হয়েছে।’