ঢাকাMonday , 23 November 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হাইকমিশনারকে ডেকে এনে ইসলামাবাদে প্রতিবাদ পাঠালো ঢাকা

Link Copied!

MFAনিজস্ব প্রতিবেদক :  ট্রাইব্যুনালের বিচারকে ত্রুটিপূর্ণ ও বিচারে উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করায় পাকিস্তানের হাইকমিশনারের কাছে প্রতিবাদলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল রোববার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে এ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছিল। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘১৯৭১ সালের ঘটনার ব্যাপারে বাংলাদেশে যে ত্রুটিপূর্ণ বিচার চলছে সে বিষয়ে আমরা আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াও লক্ষ্য করেছি।’
সোমবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পাক হাইকমিশনার সুজা আলমকে তলব করে এ ‘আপত্তিকর’ বিবৃতির ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। সেইসঙ্গে হাইকমিশনারের কাছে একটি প্রতিবাদপত্রও দেয়া হয়।
দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সঙ্গে পররাষ্ট্রসচিব মো. মিজানুর রহমানের বৈঠক চললেও সেখানে গণমাধ্যমকর্মীদের ঢুকতে দেয়া হয়নি। বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছিল তা নিয়ে কিছু জানতে পারেননি সাংবাদিকেরা। সাংবাদিকদের এড়াতে পশ্চিম গেট দিয়ে বেরিয়ে যান পাক হাইকমিশনার সুজা আলম।
প্রতিবাদ পত্রে ঠিক কী লেখা আছে তা জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, পাকিস্তানের বিবৃতির প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতিতে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।
এদিকে, এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘আপত্তিকর’ বিবৃতির জন্য পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় প্রতিবাদ জানাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এক অনির্ধারিত আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচএম মাহমুদ আলীকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তানি হাইকমিশনারকে কড়া ভাষায় প্রতিবাদ করুন।’
পাকিস্তান সরকার বিবৃতিতে এও বলেছে, পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ১৯৭৪ সালের ৯ এপ্রিল যে সমঝোতা হয়েছে সে অনুসারে বাংলাদেশে জাতীয় সমঝোতার প্রয়োজন আছে। এই সমঝোতায় ১৯৭১ সালের ব্যাপারে ভবিষ্যতের দিকে তাকানোর কথা বলা হয়েছে। এই সমঝোতার মধ্য দিয়ে সম্প্রীতি আরো বাড়বে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের যুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামায়াত নেতা মুজাহিদ ও বিএনপি নেতা সাকা চৌধুরীকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সেই রায় গত শনিবার রাত ১২টা ৫৩ মিনিটে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে কার্যকর করা হয়। সাকা চৌধুরী বিচার প্রক্রিয়ায় শেষ পর্যায়ে এসে পাকিস্তান থেকে তার পক্ষে সাফাই সাক্ষী আনার জন্যে আদালতের কাছে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু আইনি কারণেই তা মঞ্জুর করা হয়নি বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।