ঢাকাSunday , 22 November 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কলঙ্কমোচনে আরো একধাপ এগোলো দেশ

Link Copied!

saka-muzahidনিজস্ব প্রতিবেদক : একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও জামায়াতের সেক্রটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে সুশীল সমাজ। তারা মনে করেন, স্বাধীনতার ৪৪ বছর পর এই বিচারের মধ্যে দিয়ে দেশ কলঙ্কমোচনে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল।
ঘাতকদের ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় দেশে ন্যায় ও আইনের শাসন আরো সুদৃঢ় হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান।
তিনি বাংলামেইলকে বলেন, ‘ফাঁসি কার্যকরের মধ্যে দিয়ে দেশে আইনের শাসন আরো সুপ্রতিষ্ঠিত হলো। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যারা নরপিশাচদের ঘৃণিত নৃশংসতার শিকার হয়েছিল, এ ন্যায় বিচার কিছুটা হলেও তাদের দুঃসহকষ্ট প্রশমিত করতে পারবে।’
আবারো জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার জোরালো দাবি জানিয়ে অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন বাংলামেইলকে বলেন, ‘তারা নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করছে। ধষর্ণ-নির্যাতন চালিয়েছে। দেশত্যাগে বাধ্যসহ সম্পদের লুটপাট করেছে। তাদের শাস্তি হয়েছে। ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুজাহিদ দায় স্বীকার করেছেন। অর্থাৎ জামায়াতের পক্ষ থেকেই তিনি দায় স্বীকার করেছেন। আমরা আগেও দাবি জানিয়েছি জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার। এখন আরো জোরালো দাবি জানাচ্ছি। মুজাহিদের দায় স্বীকার দ্বারা বিষয়টা এখন আরো পরিষ্কার যে জামায়াত যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে জড়িত।’
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল চালু আছে। সকল যুদ্ধাপরাধীর বিচার হবে বলেও বাংলামেইলকে জানিয়েছেন মুসতাসির মামুন।
রায় কার্যকরে সন্তোষ প্রকাশ করে অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বাংলামেইলকে বলেন, ‘৪৪ বছর পর দেশে আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় সাকা-মুজাহিদরা এদেশের নিরীহ মানুষকে নির্যাতন করেছে। এখন সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিচার হয়েছে। আমি এ রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছি।’
সাকা-মুজাহিদসহ সকল যুদ্ধাপরাধী ও জামায়াত ইসলামীর সম্পতি বাজেয়াপ্তের দাবি জানিয়েছেন ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির। তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার ৪৪ বছরে নানা কারণে সব থেকে বেশি ক্ষমতায় ছিল সালাউদ্দিন কাদের ও স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তিরা। মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে তাদের সময়ে শহীদ পরিবারই নির্যাতিত-নিষ্পেষিত হয়েছে বেশি। সরকারের উচিৎ সাকা-মুজাহিদসহ সকল যুদ্ধাপরাধী ও জামায়াতের সম্পতি বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করে শহীদ পরিবারের সহযোগিতায় ব্যয় করা।’
তিনি আরো বলেন, ‘দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আমরা এ বিচার পেয়েছি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে এ পর্যন্ত যে ২১ জনের বিচার হয়েছে তাদের মধ্যে নানান কারণে সবচেয়ে বেশি বিত্তবৈভরের অধিকারী ছিল সালউদ্দিন কাদের ও আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ। এসব কারণে তাদের বিচার সবার অনেক কাঙ্ক্ষিত ছিল।’
এ রায়ের ফলে দেশ কলঙ্কমুক্ত হতে আরো একধাপ এগিয়ে গেল বলেও মন্তব্য করেন শাহরিয়ার করিব।